US Supreme Court: ওয়াশিংটনের সঙ্গে আদৌ ব্যবসা করবে তো নয়াদিল্লি? সুপ্রিম-নির্দেশের পরেই অশনি সংকেত

প্র্রতীকী ছবি Image Credit: নিজস্ব চিত্র
নয়াদিল্লি: সুপ্রিম-নির্দেশের পর বাণিজ্যিক সমঝোতা ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। আইনি ঢালকে কাজে লাগিয়ে নতুন পথের দিশারি হতে চায় নয়াদিল্লি? আপাতত ভারত-আমেরিকা অন্তর্বর্তী বাণিজ্যিক-সমঝোতা নিয়ে দুই দেশের প্রতিনিধিদের আলোচনা পিছিয়ে যাচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রকের সূত্র উদ্ধৃত করে নিজেদের প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সোমবার অর্থাৎ গতকাল অন্তর্বর্তী বাণিজ্য় সমঝোতার আইনি দিকগুলি চূড়ান্ত করতে আমেরিকায় বৈঠক বসার কথা ছিল দুই দেশের আধিকারিকদের। কিন্তু তা হয়নি।
রয়টার্সের তাদের প্রতিবেদনে আরও দাবি করেছে, শুক্রবার ট্রাম্প-ট্যারিফ নিয়ে সেদেশের সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেওয়ার পরেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রবিবারই নয়াদিল্লি থেকে আধিকারিকদের রওনা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাও হয়নি। তবে এই অন্তর্বর্তী বাণিজ্যিক সমঝোতা নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা প্রসঙ্গে মুখ খোলেনি কেন্দ্র।
আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দিয়েছিল?
সুপ্রিম-নির্দেশ ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যিক সমঝোতায় বিলম্ব তৈরি করেছে বলে মনে করছে এক পক্ষ। কিন্তু কী ছিল সেই নির্দেশ? গত শুক্রবার আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেদেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, জাতীয় জরুরি অবস্থার জন্য ব্যবহৃত আইন প্রয়োগ করে বিভিন্ন দেশের উপর চাপানো আমদানি শুল্ক বেআইনি। এমনকি, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া একক ভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।
মঙ্গলে বন্ধ আংশিক শুল্ক
ভারতীয় সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ট্রাম্পের আমদানি শুল্ক। তবে সম্পূর্ণ নয়, আংশিক। সুপ্রিম-নির্দেশের পরেই আমেরিকার কাস্টম অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন দফতর তরফে জারি করা একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে (মার্কিন সময় অনুযায়ী) ১৯৭৭ সালের ইন্টারন্যাশনার এমার্জেন্সি ইকনোমিক পাওয়ার অ্যাক্ট-এর অধীনে শুল্ক আমদানি বন্ধ করা হচ্ছে। তবে এই নিষ্ক্রিয়করণের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র একটি আইনের ক্ষেত্রেই বলবৎ করেছে হোয়াইট হাউস। তাই বলা যেতে পারে, সম্পূর্ণ নয়, আংশিক ভাবে শুল্ক চাপানো বন্ধ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।



