0%

অল্পের জন্য হাতছাড়া দ্রুততম সেঞ্চুরি, গোটা স্টেডিয়ামকে কাঁদিয়ে মাঠ ছাড়ল বৈভব

আইপিএলের দ্রুততম সেঞ্চুরিটা প্রায় হাতের মুঠোয় এসে গিয়েছিল। একটা শটেই লেখা হয়ে যেত ইতিহাস। কিন্তু ট্র্যাজিক নায়ক হয়ে এদিন মাঠ ছাড়ল বৈভব সূর্যবংশী। বুধবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এলিমিনেটরে খেলতে নেমেছিল বৈভবের রাজস্থান রয়্যালস। নিজের চেনা মেজাজে আগ্রাসী শটে ইনিংস সাজিয়েছিল তরুণ তুর্কি। পৌঁছে গিয়েছিল শতরানের দোরগোড়ায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুঃখে মাথা নাড়তে নাড়তে মাঠ ছাড়তে হল। তবে গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে কুর্নিশ জানাল মুজঃফরপুরের কিশোরকে।

প্রথমবার আইপিএলের প্লেঅফে খেলতে নেমেছে বৈভব। তবে প্লেঅফ বলে আলাদা করে কোনও চাপ অনুভব করেনি ১৫ বছর বয়সি ব্যাটার। ক্রিজে নেমে প্রথম দুই বলে ১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। প্রথম ওভারের শেষ বলে প্যাট কামিন্সকে বিরাট ছক্কা হাঁকিয়ে শুরু বৈভবের ধ্বংসলীলা। পাওয়ার প্লে’র শেষে স্কোরবোর্ডে দেখা গেল, ২০ বলে ৬০ রান হাঁকিয়ে ফেলেছে বৈভব। তার মধ্যে কামিন্সের এক ওভার থেকেই এসেছে ২৫ রান। যদিও আইপিএলে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙার সুযোগ সেভাবে আসেনি।

পাওয়ারপ্লে শেষ হলেও বৈভবের তাণ্ডব থামেনি। অষ্টম ওভারে সেঞ্চুরির একেবারে দোরগোড়ায় পৌঁছে যায় বৈভব। প্রফুল্ল হিঞ্জের ওভারে ২৬ রান তুলে নেয়। একটা বাউন্ডারি মারলেই সেঞ্চুরি। ২৯ বলে শতরান পূরণ করার হাতছানি। সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে শর্ট বল করলেন প্রফুল্ল। ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আউট হয়ে গেল বৈভব। এত ভালো খেলেও সেঞ্চুরিটা এল না, সেটা যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না তার। মানতে পারছিল না গোটা স্টেডিয়ামও। বৈভব আউট হতে দর্শকাসনে থাকা অনেকের চোখেই তখন জল। দৌড়ে এসে ‘ভাই’ বৈভবকে সান্ত্বনা দেন বিপক্ষ ক্রিকেটাররাও। উল্লেখ্য, ৩০ বলে আইপিএলে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড আছে ক্রিস গেইলের।  

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker