আর রক্ষা নেই! CAA বিরোধী আন্দোলনের তদন্তে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর, তৈরি হচ্ছে বিশেষ সেল

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সালটা ২০১৯। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) বিরোধী আন্দোলনে (Anti CAA Protest) উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্যের নানা প্রান্ত। অনেক জায়গায় সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এবার রাজ্যে পালাবদলের পর সেসব ঘটনার তদন্ত নিয়ে কড়া নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই সময়কার সকল অভিযোগের তদন্ত করে দেখার জন্য রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
ক্ষতিপূরণ আদায়ে কড়াকড়ি মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)
২০১৯ সালে সংসদের উভয় কক্ষে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হয়। রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিলে তা আইনে পরিণত হয়। এরপর পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা দেশ জুড়ে সিএএ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়েছিল। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা, হাওড়ার উলুবেড়িয়া সহ রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে হিংসার অভিযোগ সামনে আসে। এবার সেসব অভিযোগ তদন্ত করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের নতুন সরকার।
আরও পড়ুনঃ ‘মমতাদির সঙ্গে আছি, কিন্তু বারবার একই ভুলের সঙ্গে নেই’! বিস্ফোরক কুণাল ঘোষ
শনিবারই এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি-কে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের সময় যতগুলি সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল, প্রত্যেকটির তদন্ত করতে হবে। এই অভিযোগগুলি ভাল করে খতিয়ে দেখতে রাজ্য পুলিশের একটি ‘বিশেষ সেল’ গঠন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কলকাতার ভবানীপুরে এই সেলের অফিস খোলা হবে বলে খবর।
এই বিষয়ে নবান্নের সিদ্ধান্ত, পুরনো সকল অভিযোগ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নতুন করে ফাইল বানানো হবে। কারও বিরুদ্ধে যদি সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগ প্রমাণিত হয়, সেক্ষেত্রে আইনানুগভাবে তাঁর থেকে সকল ক্ষয়ক্ষতির সমস্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে।

২০১৯ সালে রাজ্যে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের সময় রেলের প্রচুর সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগ উঠেছিল। ট্রেনে আগুন লাগানো থেকে শুরু করে স্টেশনে লুটপাট চালানোর অভিযোগ সামনে আসে। এইসব অভিযোগের তদন্তের সময় রেল পুলিশের সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।




