0%

এ যেন মহাতারকাদের বিশ্বকাপ! পেনাল্টি বিতর্ক এড়িয়ে জোড়া গোল কেনের, ক্রোয়েশিয়াকে হারাল ইংল্যান্ড

ইংল্যান্ড: ৪ (কেন ২, বেলিংহ্যাম, রাশফোর্ড)
ক্রোয়েশিয়া: ২ (বাতুরিনা, মুসা)

এই বিষয়ে আরও খবর

লিওনেল মেসি হ্যাটট্রিক। কিলিয়ান এমবাপে জোড়া গোল। এর্লিং হ্যালান্ড জোড়া গেল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ছাড়া বর্তমান বিশ্বের তথাকথিত যে সব সুপারস্টার রয়েছেন, এ বছরের বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত তাঁদের অধিকাংশই যেন সোনা ফলাচ্ছেন। সেই তালিকায় এবার নাম লেখালেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন। বুধবার মধ্যরাতে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডের সর্বকালের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার বুঝিয়ে দিলেন, কেন তাঁকে সেরাদের তালিকায় ধরা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
‘ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ’ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

FIFA World Cup 2026: England's Harry Kane hits stunning brace
ইংল্যান্ডের সেলিব্রেশন। ছবি: সংগৃহীত।

বস্তুত বুধ রাতে ক্রোয়েশিয়া এবং ইংল্যান্ডের যে ম্যাচটা হয়ে গেল, সেটা সম্ভবত এ বারের বিশ্বকাপের এখনও পর্যন্ত সেরা ম্যাচ। ডালাসে ছয় গোলের রোমাঞ্চের ম্যাচটা রীতিমতো থ্রিলার সিনেমার মতো। আর সুপারস্টার কেন সেই থ্রিলারের নায়ক। প্রথমার্ধে দুই দলের লড়াই হল সমানে সমানে। দু’বার এগিয়ে গিয়েও লিড ধরে রাখতে পারল না ইংল্যান্ড। আবার দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ড যে ফুটবলটা খেলল, তাতে ইংরেজ সমর্থকরা খুশি হতেই পারেন। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ, মাঝমাঠ ও রক্ষণ কোনও বিভাগেই ইংল্যান্ডকে পাল্লা দিতে পারেনি ক্রোয়েশিয়া।

ইংল্যান্ডের সেলিব্রেশন। ছবি: সংগৃহীত।

এদিন ম্যাচের আট মিনিটের মাথায় লুকা মদ্রিচ বক্সে ফাউল করেন নোনি মাদুয়েকেকে। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। কেনের প্রথম শট ক্রোয়েশিয়া গোলকিপার ডোমিনিক লিভাকোভিচ বাঁচিয়েও দেন। কিন্তু এরপরই শুরু বিতর্ক। দেখা যায় কেন শট মারার আগেই লিভাকোভিচ গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন। ফলে ফের পেনাল্টি মারার সুযোগ পান ইংল্যান্ড অধিয়ানক। রেফারির ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে রীতিমতো অখুশি ছিল ক্রোয়েশিয়া। তবে কেন খুশিমনে দ্বিতীয় সুযোগটা লুফে নেন। যদিও ক্রোয়েশিয়াও ছেড়ে কথা বলেনি। ৩৬ মিনিটে দুরন্ত শটে গোল করেন মার্তিন বাতুরিনা। পাঁচ মিনিট পর ফের এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ফের গোল করেন কেন। ডেক্লান রাইসের কর্নার থেকে হেডে বল জালে জড়ান। এ বার সমতা ফেরাতে সময় নেয়নি ক্রোয়েশিয়া। চার মিনিট পরে ইভান পেরিসিচের পাস থেকে গোল করেন পেতার মুসা। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে কেনের গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১০। গ্যারি লিনেকারের সঙ্গে যুগ্মভাবে শীর্ষে তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে অপ্রতিরোধ্য দেখায় ইংল্যান্ডকে। বস্তুত টমাস টুখেলের ছেলেরা প্রথমার্ধে কিছুটা ভয়ে ছিলেন। সেই ভয় কাটিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে প্রাণখোলা ফুটবল খেলেন ইংরেজরা। দ্বিতীয়ার্ধে তারা আক্রমণের ঝড় বইয়ে দেয়। বিরতির দু’মিনিট পরে গোল করেন বেলিংহ্যাম। শেষদিকে রাশফোর্ড ৮৫ মিনিটে আরও একটি গোল করেন। ইংল্যান্ড ৪-২ গোলে ম্যাচ জিতে নেয়। এই পারফরম্যান্স রীতিমতো তৃপ্তি দেবে ইংল্যান্ড সমর্থকদের।

এই বিষয়ে আরও খবর

Fifa World Cup 2026

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
‘ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ’ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker