নেই কোনও সিকিউরিটি, নির্দ্ধিধায় মেলায় পুতুল বিক্রি করছেন সাঁইথিয়ার বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা | Krishna Kanta Saha Sale Doll in Market

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: বিধায়ক (MLA) শব্দটা শুনলেই সাধারণভাবেই রাজনৈতিক কর্মসূচি, প্রশাসনিক কাজ কিংবা দলীয় সভা নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত এমন একজনের ছবিই চোখের সামনে ভেসে ওঠে। কিন্তু বীরভূমের সাঁইথিয়ার মেলা, এক নিমেষে সেই দৃশ্য বদলে দিল। সেখানে দেখা গেল একেবারেই অন্যরকম এক ছবি। অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা (Krishna Kanta Saha) নিজের এলাকার গ্রামের মেলায় পুতুলের দোকান দিয়েছেন। জনপ্রতিনিধির পরিচয় একপাশে সরিয়ে রেখে মেলার সাধারণ দোকানদারের মতোই বেচাকেনা করছেন তিনি। এই ঘটনাটি নজর কেড়েছে স্থানীয়দের। সাঁইথিয়ার বর্তমান বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা, এই পরিচয় কেবল রাজনীতিতে। বাস্তবে তিনি একদম মাটির মানুষ।
নিজের গ্রামের মেলায় শিকড়ের টান
জায়গাটি হল বীরভূমের মহম্মদবাজারের ডেউচা রঘুনাথপুর এলাকা। প্রতিবছর প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো মা মনসার পুজোকে ঘিরে সেখানে বসে মেলা। সেই ঐতিহ্যবাহী মেলাতেই এবার অন্য ভূমিকায় দেখা গেল বিধায়ককে। পুতুলের দোকানে বসে তিনি মেলার পরিবেশের সঙ্গে একেবারে মিশে গিয়েছেন। রাজনীতির পরিচিত ব্যস্ততার বাইরে গ্রামের মাটিতে এমনভাবে তাঁকে দেখে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার পারিবারিক শিকড়ের কথাও উঠে এসেছে। তাঁর বাবা আনন্দমোহন সাহা এখনও ডেউচা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চা, তেলেভাজা এবং মুদিখানার দোকান চালান। ফলে এই এলাকার সঙ্গে তাঁর পরিবারের সম্পর্ক যে দীর্ঘদিনের, তা বলাই বাহুল্য।
প্রতীক না পেলে উপনির্বাচনের প্রচারে যাবেন না মমতা, জানিয়ে দিলেন নিজেই
মেলার দোকানে বিধায়কের এই অমায়িক উপস্থিতি শুধুই যে পুতুল বিক্রির দৃশ্য এমনটা কিন্তু নয়। এখানে তাঁর নিজের পরিচিত পরিবেশ ও গ্রামের মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগসূত্রের একটি অন্যরকম ছবি সামনে এনেছে। তাই রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন জনপ্রতিনিধিকে একেবারে স্থানীয় মানুষের মতো মেলার দোকানে বসে পুতুল বিক্রি করতে দেখে চোখ আটকে যাওয়াই স্বাভাবিক।



