স্বদেশিয়ানা দিয়েই নজিরবিহীন ব্যবসায়িক সাফল্য পতঞ্জলির

পতঞ্জলি স্টোর (প্রতীকী ছবি)Image Credit: সংগৃহিত (Social Media)
নয়াদিল্লি: ১০ হাজার কোটি টাকা পেরিয়ে গেল পতঞ্জলির আয়। সম্প্রতি নিজেদের সাফল্যের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করল রামদেবের সংস্থা। তাতেই দেখা গেল, নজিরবিহীন ব্যবসায়িক সাফল্য। চলতি অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে বিরাট সাফল্য পতঞ্জলির ফুডস সংস্থার। যা গত ত্রৈমাসিকগুলির তুলনায় অনেকটাই বেশি। এক ধাক্কায় মুনাফা বেড়েছে ৬০ শতাংশ।
গত কয়েক বছর ধরেই ভোগ্যপণ্যের বাজারে দাঁত ফুটিয়েছে পতঞ্জলি। সাধারণের জীবনের একটা বড় অংশ জুড়ে বিস্তার তাঁদেরই পণ্যের। পতঞ্জলির প্রতিটি সংস্থা মিলিয়ে যা তৃতীয় ত্রৈমাসিকে যা আয় হয়েছে, তার ৩০ শতাংশ আয় এসেছে তাদের এই ভোগ্যপণ্য সংস্থায়। এই তিন মাসেই তাঁদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলির থেকে প্রায় ৬২৮ কোটি টাকা আয় হয়েছে। তবে এই আয়ের পরেই ক্ষান্ত হতে চায় না পতঞ্জলি। বড় লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে ফেলেছে তাঁরা।
সম্প্রতি পতঞ্জলির ব্যবসায়িক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা রামদেবকে। তিনি বলেন, তাঁদের সংস্থার বর্তমান বাজার মূলধন ৫৭ হাজার কোটি টাকা। যা আগামী তিন বছরের মধ্যে এক লক্ষ কোটি টাকার গন্ডিতে তুলে ধরা হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাত্র তিন বছরের সময়কালে এই লক্ষ্য ছোঁয়া সহজ ব্যাপার নয়। তবে সংস্থার গতি দেখে ধারণা করা যেতেই পারে, তারা সেই লক্ষ্য়মাত্রা হয়তো ছুঁয়ে ফেলবে।
ভারতের বাজার পতঞ্জলির জন্য একেবারে উন্মুক্ত এমনটা নয়। বিদেশি সংস্থার ভিড়ে পতঞ্জলির প্রতিদ্বন্দ্বির অভাব নেই। কিন্তু সেই ভিড়কেও টেক্কা দিতে সক্ষম হয়েছে তাঁরা। বিদেশি পণ্যে ঘিরে থাকা বাজারে স্বদেশি ছাপ তৈরি করেছে পতঞ্জলি। রামদেবের কথায়, আগামী কয়েক বছরে আরও জোর বাড়াবে তাঁরা। পাঁচ বছরের মধ্য়ে হয়ে উঠবে দেশের এক নম্বর সংস্থা।



