২০২৬-এ লক্ষ্মীলাভ চান? পকেট সামলাতে মেনে চলুন এই সূত্র!

এইভাবে চললে চাঙ্গা থাকবে পকেট!Image Credit: Getty Images
উৎসবের মরসুম শেষ। নতুন বছরের ক্যালেন্ডারটা দেওয়ালে উঠলেও, আপনার ২০২৫-এর খরচের হিসেবটা কি মিলেছে? সামনেই ট্যাক্স জমা দেওয়ার মরসুম। তাই জানুয়ারি মাসই হল আপনার পার্সোনাল ফাইন্যান্সকে নতুন করে সাজানোর সেরা সময়। ২০২৬ সালকে আর্থিকভাবে নিরাপদ করতে আপনার জন্য রইল একটি ‘অ্যাকশন প্ল্যান’।
২০২৫-এর হিসেব-নিকেশ
আপনার গত বছরের খরচের ধরনটা একবার দেখে নিন। কোথায় বেশি খরচ হল? কোথায় সঞ্চয় করা যেত? অর্থনীতিবিদদের মতে, এই বিশ্লেষণই আপনার ২০২৬-এর খরচের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দেবে।
আপনার বন্ধু ‘এমার্জেন্সি ফান্ড’
আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য আপনার হাতে কি টাকা আছে? থাকলেও কতটা টাকা আছে? আপনার অন্তত ৬ থেকে ১২ মাসের সংসার চালানোর খরচ আলাদা করে সরিয়ে রাখুন। সেটাই আপনার এমার্জেন্সি ফান্ড।
এসআইপি ও বিনিয়োগ
নতুন বিনিয়োগের জন্য জানুয়ারির চেয়ে ভাল সময় আর হয় না। পুরোনো মিউচুয়াল ফান্ড পোর্টফোলিও কি ঠিকঠাক রিটার্ন দিচ্ছে? প্রয়োজন হলে আপনি অভিজ্ঞ পরামর্শদাতার সাহায্য নিন।
ট্যাক্স প্ল্যানিংয়ে দেরি নয়
শেষ মুহূর্তে হুড়োহুড়ি না করে এখনই ৮০-সি বা ৮০-ডি-এর অধীনে বিনিয়োগ করুন। নতুন বিমা নেওয়া হোক বা নতুন কোনও বিনিয়োগ শুরু করা, যাই হোক না কেন, শুরুটা তাড়াতাড়ি করা খুবই জরুরি।
ক্রেডিট স্কোর ও বিমা
লোনের আবেদন করার আগে আপনার ক্রেডিট স্কোর পরীক্ষা করুন। পাশাপাশি, আপনার ও আপনার পরিবারের স্বাস্থ্যবিমার কভারেজ কি যথেষ্ট? ওষুধের আকাশছোঁয়া দামের কথা মাথায় রেখে পলিসি রিনিউ করার সময় সতর্ক থাকুন। প্রয়োজনে পলিসির কভারেজ বাড়াতে হবে আপনাকে। ২০২৬ সালকে অর্থনৈতিক ভাবে সফল করতে ধারাবাহিকতা খুব জরুরি। আজকের ছোট সঞ্চয়ই কিন্তু আপনার আগামীর বড় মূলধন।



