তালিকা থেকে নাম গায়েব! মনোনয়নের আগে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ কংগ্রেস প্রার্থী, কী বলল আদালত?

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে বড় সমস্যায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মোত্তাকিন আলম। ভোটার তালিকায় তাঁর নাম না থাকায় তিনি আদৌ মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন কিনা, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সময় খুব কম। আজই মনোনয়নের শেষ দিন। ট্রাইব্যুনালে বিষয়টি আটকে থাকায় শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যেতে হয়েছে তাঁকে।
ভোটার তালিকা বিতর্কে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) কংগ্রেস প্রার্থী
নয়াদিল্লিতে এই ইস্যু ঘিরে দ্রুত নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। জানা যায়, রতুয়ার কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ মোত্তাকিন আলম গত শুক্রবার জানতে পারেন, তাঁর নাম অ্যাডজুডিকেশন তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এরপরই তিনি ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় সেখানেই। এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের কাজ শুরু হয়নি, ফলে তাঁর নাম নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এদিকে সময় কিন্তু থেমে নেই। প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য আজই মনোনয়ন জমার শেষ দিন।
এই অবস্থায় বাধ্য হয়েই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) রিট পিটিশন দায়ের করেন মোত্তাকিন। সোমবার সকালে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এরপরই আদালত থেকে নির্দেশ আসে দুপুর ১২টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে তাঁর আবেদনের নিষ্পত্তি করতে হবে। এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও আলোচনা চলছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে, আর সেই দফাতেই রয়েছে মোত্তাকিনের বিধানসভা কেন্দ্র। নিয়ম অনুযায়ী, আজ বিকেল তিনটার মধ্যে সমস্ত প্রার্থীকে মনোনয়ন জমা দিতে হবে। ফলে সময়ের সঙ্গে কার্যত দৌড় শুরু হয়েছে তাঁর। এই ঘটনাকে ঘিরে আরও একটি বড় প্রশ্ন উঠছে। মোত্তাকিন আলম শুধু প্রার্থীই নন, এর আগে তিনি কালিয়াচকের বিধায়কও ছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তাঁর নাম ভোটার তালিকায় না থাকা নিয়েই ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ SIR জটিলতায় বড় ধাক্কা! বাংলায় পিছিয়ে যাবে ভোট?
সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) আগের নির্দেশ অনুযায়ী, যেসব প্রার্থীর নাম বিচারাধীন রয়েছে, তাদের বিষয়টি আগে নিষ্পত্তি করার কথা। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি বলেই অভিযোগ। এখন সবকিছু নির্ভর করছে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের উপর। নাম তালিকায় ফিরলে তবেই তিনি মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন। হাতে সময় খুবই কম, তাই শেষ মুহূর্তে তিনি আদৌ প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ে থাকতে পারবেন কিনা, সেটাই এখন দেখার।



