Male leader of TMC was beneficiary of Lakshmir Bhandar in Chandrakona sparks new controversy

তৃণমূল নেতার নামে ঢুকছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের দেড় হাজার টাকা! তাজ্জব ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায়। রাজ্যে পালাবদলের পর চালু সামাজিক প্রকল্পগুলির সুবিধাভোগীদের সম্পর্কে তথ্য নিতে গিয়ে মহিলাদের জন্য বরাদ্দ প্রকল্পে পুরুষের নাম দেখেই দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। কীভাবে নেতার নামে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, তা নিয়ে জানেনই না পঞ্চায়েত প্রধান! শোরগোল শুরু হতেই বললেন, বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। আর যাঁর নামে এই প্রকল্পের টাকা ঢুকছিল, সেই তৃণমূল নেতা উত্তমকুমার সাউয়ের সাফাই, স্ত্রীর জন্য আবেদন করেছিলেন। ফোন নং ও অ্যাকাউন্ট নং স্ত্রীরই। কিন্তু নামের জায়গায় কীভাবে তাঁর নাম এল, বুঝতে পারছেন না তিনি।
অভিযুক্ত উত্তম সাউয়ের দাবি, ‘‘আমি স্ত্রীর জন্য আবেদন করেছিলাম। নাম আমার থাকলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা ফোন নম্বর কিন্তু স্ত্রীর। তাঁর অ্যাকাউন্টেই টাকা ঢোকে। এখন নামটা আমার কীভাবে হল, বুঝতে পারছি না। কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যা হবে হয়ত। তবে এই সমস্যার সমাধানের জন্য আমি গ্রাম পঞ্চায়েতে লিখিত আবেদন জানাব। তারপর দেখা যাক কী হয়।”
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা এক নম্বর ব্লকের মনোহরপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মনোহরপুর এলাকা। এখানকার বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা উত্তমকুমার সাউ পেশায় একজন ঠিকা কর্মী। মহিলাদের জন্য পূর্বতন তৃণমূল সরকার যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করেছিল, তার প্রাপক তালিকায় উত্তমের নাম! একজন পুরুষ হয়ে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার প্রমাণ পেয়ে শোরগোল শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে প্রকল্পের টাকা ফেরত দিক ওই তৃণমূল নেতা এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হোক।
অভিযুক্ত উত্তম সাউয়ের দাবি, তিনিও জানতেন না যে নিজের নাম লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার প্রাপকের তালিকায় নথিভুক্ত হয়ে আছে। কয়েকদিন আগেই বিষয়টি নজরে এসেছে। তাঁর কথায়, ‘‘আমি স্ত্রীর জন্য আবেদন করেছিলাম। নাম আমার থাকলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা ফোন নম্বর কিন্তু স্ত্রীর। তাঁর অ্যাকাউন্টেই টাকা ঢোকে। এখন নামটা আমার কীভাবে হল, বুঝতে পারছি না। কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যা হবে হয়ত। তবে এই সমস্যার সমাধানের জন্য আমি গ্রাম পঞ্চায়েতে লিখিত আবেদন জানাব। তারপর দেখা যাক কী হয়।” ঘটনার কথা স্বীকার করে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মাধুরী সিংহ দোলুই জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁদের জানা ছিল না। বিজেপির কাছে অভিযোগ পেয়েই তাঁরা খতিয়ে দেখছেন। সেইমতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আসলে রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা যোজনায় মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছে। আপাতত অবশ্য যাঁরা লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, তাঁরাই অন্নপূর্ণাও পাবেন। তবে পরে এর জন্য নতুন পোর্টাল খুলে প্রাপকদের তথ্য যাচাই করে সরকার ঠিক করবে, কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। সেই কাজ করার সময়ই সম্ভবত পুরুষের নামে লক্ষ্ণীর ভাণ্ডারের মতো বড়সড় ত্রুটি নজরে এল, যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
আসলে রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা যোজনায় মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছে। আপাতত অবশ্য যাঁরা লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, তাঁরাই অন্নপূর্ণাও পাবেন। তবে পরে এর জন্য নতুন পোর্টাল খুলে প্রাপকদের তথ্য যাচাই করে সরকার ঠিক করবে, কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। সেই কাজ করার সময়ই সম্ভবত পুরুষের নামে লক্ষ্ণীর ভাণ্ডারের মতো বড়সড় ত্রুটি নজরে এল, যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
শেয়ার
লিংক



