দলে সুযোগ হয়নি, ‘দাদা তুই ভালো করে খেলিস’, চিঠি লিখে আত্মঘাতী ১৭ বছরের ক্রিকেটার

বারবার দলে সুযোগ না পাওয়ার হতাশা। সেই হতাশাই কি শেষ পর্যন্ত প্রাণ কেড়ে নিল ১৭ বছরের কিশোরী ক্রিকেটার অদিতি চৌখাণ্ডের? নাগপুরের লক্ষ্মী নগরের বাজাজ নগর থানা এলাকার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আকোলার বাসিন্দা অদিতি। প্রতিভাবান ক্রিকেটার হিসাবেই পরিচিত ছিল সে।
মা এবং দাদা প্রবালের সঙ্গে নাগপুরে থাকত অদিতি। বাবা মহারাষ্ট্র সরকারের পূর্ত দফতরের ঠিকাদার। কর্মসূত্রে তিনি আকোলাতেই থাকেন। চলতি বছর উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছিল অদিতি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দাদা প্রবালের সঙ্গে নিয়মিত ক্রিকেট অনুশীলন করত সে। বুধবার রাতে মায়ের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া করার পর নিজের ঘরে চলে যায় অদিতি। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা তার সাড়া না পেয়ে পুলিশে খবর দেন। সেই সময় অদিতির বাবা এবং দাদা দু’জনেই নাগপুরে ছিলেন না। খেলার সূত্রে শহরের বাইরে গিয়েছিলেন প্রবাল।
পুলিশ জানিয়েছে, অদিতির ঘর থেকে একটি চিঠি উদ্ধার হয়েছে। সেখানে দাদার ক্রিকেটজীবন নিয়ে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি নিজের হতাশার কথাও লিখেছিল সে। চিঠিতে অদিতি লিখেছিল, ‘দাদা, তুই খুব ভালো করে খেলিস। অনেক বড় ক্রিকেটার হবি। তুই বাবা-মাকে গর্বিত করবি। আমি দলে সুযোগই পাচ্ছি না। খুব হতাশ হয়ে পড়েছি।’
তদন্তকারী পুলিশ অফিসার চেতন চৌহান বলেন, “দলে সুযোগ না পাওয়ার হতাশাই প্রাথমিক ভাবে মৃত্যুর কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। বেশ কিছু দিন ধরে পরের পর্যায়ের দলে সুযোগ পাওয়ার আশায় ছিল অদিতি। সেই সুযোগ না পাওয়ায় মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিল বলে মনে হচ্ছে।” তবে অদিতি কেন বারবার দলে সুযোগ পাচ্ছিল না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শেয়ার
লিংক



