Canning Tmc leader arrested in Kolkata with a firearm

ভোটের পর থেকেই পলাতক ছিলেন। হন্যে হয়ে খুঁজছিল পুলিশ। অবশেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতা থেকে পুলিশের জালে ওঠেন ক্যানিংয়ের তৃণমূল নেতা। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি। ধৃত তৃণমূল উপপ্রধানকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময়েই তাঁকে দেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে উত্তেজিত জনতা। আদালতে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশে থানা থেকে বের করা হলে ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ইন্দ্রজিৎ সর্দারকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়া হয়। রীতিমতো তাঁর মাথায় ডিম ভাঙেন জনতা।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, মানুষকে ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি, কাটমানি আদায়, মারধর করত ওই তৃণমূল নেতা। অস্ত্র মজুতের অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। একুশের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল উপপ্রধানের বিরুদ্ধে।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রীতিমতো ছড়ি ঘোরাতেন ইন্দ্রজিৎ। তাঁদের দাবি, মানুষকে ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি, কাটমানি আদায়, মারধর করত ওই তৃণমূল নেতা। অস্ত্র মজুতের অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। একুশের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল উপপ্রধানের বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ এতদিন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ বিক্ষুব্ধ জনতার।
বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করে ক্যানিং থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। শুক্রবার সকাল থেকেই থানার সামনে জমায়েত করতে থাকেন বিক্ষুব্ধ জনতা ও বিজেপি কর্মীরা। ধৃত ইন্দ্রজিৎকে থানা থেকে বের করতেই ‘চোর-চোর’ স্লোগান ওঠে। থানা থেকে বেরিয়ে দৌড়ে গাড়িতে ওঠার মুহুর্তেই তাঁর মাথায় পরপর ডিম ছোড়া হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলবে। অস্ত্র মামলার সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য অভিযোগের ভিত্তিতেই এগোবে তদন্ত।
শেয়ার
লিংক



