0%

Milk Price Hike: জুলাই মাসেই ৩-৪ শতাংশ বাড়তে পারে দুধের দাম, নেপথ্যে এল নিনো!

নয়া দিল্লি: সাধারণ মানুষের জন্য আবারও বাড়তে পারে খরচের বোঝা। বাড়তে পারে দুধের দাম। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ডেয়ারি শিল্পের একাংশ। আগামী জুলাই-অগস্ট মাস নাগাদ দাম বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রায় তিন থেকে চার শতাংশ দাম বাড়তে পারে। এর আগে মে মাসেই দাম বেড়েছিল দুধের। বিশেষজ্ঞদের মতে, এল নিনোর প্রভাব এবং দুর্বল মৌসুমি বায়ুর কারণেই দুধের দাম বাড়তে পারে। কিন্ত, কীভাবে এল নিনোর সঙ্গে জড়িয়ে দুধের দাম?

এল নিনোর প্রভাবে পশুখাদ্যে সংকটের আশঙ্কা

ডেয়ারি শিল্পের বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হলে গবাদি পশুর জন্য খাদ্য ও জলের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে অনেক পশুপালক বাধ্য হয়ে গবাদি পশুর সংখ্যা কমিয়ে দেন। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে দুধ উৎপাদনের উপর। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মহারাষ্ট্র সরকার ইতিমধ্যেই কৃষকদের বেশি পরিমাণে পশুখাদ্য উৎপাদনের পরামর্শ দিয়েছে। রাজ্যের প্রাণীসম্পদ দফতর সতর্ক করেছে, এল নিনোর কারণে আগামী দিনে পশুখাদ্যের সংকট তৈরি হতে পারে, যার জেরে দুধ উৎপাদনও কমে যেতে পারে।

জুলাইয়ের মধ্যেই বাড়তে পারে দুধের দাম

দুধের দাম ইতিমধ্যেই দুই থেকে তিন শতাংশ বেড়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের প্রধান দুগ্ধ উৎপাদনকারী রাজ্যগুলিতে যদি বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় কম হয়, তাহলে জুলাই মাসের মধ্যেই দুধের দাম আরও ৩ থেকে ৪ শতাংশ বাড়তে পারে। সম্ভাব্য এই সংকট মোকাবিলার জন্য বিভিন্ন দুগ্ধ সংস্থা পশুপালকদের সঙ্গে আলোচনা করে পশুখাদ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা শুরু করেছে।

পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে আমূল ও মাদার ডেয়ারি

দেশের দুই বৃহৎ দুগ্ধ সংস্থা আমূল এবং মাদার ডেয়ারি বর্তমানে বর্ষার পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে। আমূল জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত দুধের সরবরাহে এল নিনোর কোনও প্রত্যক্ষ প্রভাব দেখা যায়নি। অন্যদিকে, মাদার ডেয়ারিও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে।

উল্লেখ্য, গত মে মাসে আমূল ও মাদার ডেয়ারি প্রতি লিটার দুধের দাম ২ টাকা করে বাড়িয়েছিল। সংস্থাগুলির দাবি, পশুখাদ্য, জ্বালানি, প্যাকেজিং এবং পরিবহবের খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, দুধের দাম ফের বৃদ্ধি পেলে প্রভাব পড়বে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসিক বাজেটের উপর। দুধের দাম বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই মিষ্টি, দুগ্ধজাত পণ্য এবং খাদ্য শিল্পেও খরচ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker