0%

Police make announcements in Howrah, instructing people not to take the law into their own hand

দিকে দিকে দুর্নীতির প্রতিবাদে আছড়ে পড়ছে জনরোষ। তৃণমূল নেতা দেখলেই চলছে ডিম থেরাপি। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠছে আক্রমণ। এবার ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঠেকাতে আসরে নামল পুলিশ। হাওড়ার গ্রামীণ জেলা পুলিশের তরফে আমজনতাকে সংযত থাকার বার্তা দিতে রাস্তায় ঘুরে চলল মাইকিং। সাধারণ মানুষের উদ্দেশে পুলিশের বার্তা, জনসাধারণের যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তারা যেন থানায় গিয়ে অভিযোগ জানায়। আইন হাতে তুলে নিলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয় পুলিশ।

শনিবার শ্যামপুর থানার পক্ষ থেকে টোটোয় মাইক বেঁধে করে প্রচার চালানো হয়। পুলিশের তরফে জানানো হয়, “যে কোনও ধরনের অভিযোগ বা সমস্যা থাকলে সরাসরি শ্যামপুর থানায় এসে জানান। পুলিশ প্রশাসন সর্বদা আপনাদের সহযোগিতায় প্রস্তুত রয়েছে। কোন অবস্থাতে আইন নিজেদের হাতে তুলে নেবেন না। যেকোনো বিবাদ বা অপরাধমূলক বিষয়ে আইনের আশ্রয় নিন। দেশের প্রচলিত আইন মেনে চলুন। আইন অমান্যকারী বিশৃঙ্খল সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।” হাওড়ার গ্রামীণ পুলিশের এক কর্তা বলেন, লোকেদের সচেতনতার স্বার্থে এই প্রচার চালানো হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গোটা হাওড়ার গ্রামীণ এলাকাজুড়ে ক্ষোভের বিস্ফোরণের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। জগৎবল্লভপুর থেকে শ্যামপুর, উলুবেড়িয়া বাগনান আমতা সর্বত্র একই ঘটনা। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তৃণমূলের নেতা-নেত্রীদের উপর আক্রমণ হচ্ছে। কখনও তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের লক্ষ্য করে ডিম ছাড়া হচ্ছে, তাদের মাথায় ডিম ফাটানো হচ্ছে, আবার কাউকে আধ ন্যাড়া করে কোমরে দড়ি বেঁধে গলায় জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানো হচ্ছে। চলছে মারধরও। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার শ্যামপুরের নাকোল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান সদানন্দ দাসের বাড়িতে ভাঙচুর টলে। আসবাবপত্র ঘর থেকে বের করে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। শ্যামপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছিলেন ওই নেতা। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই আইন নিজের হাতে তুলে নেযওয়ার প্রবণতা পুলিশের কপালে ভাজ ফেলেছে। তাই আমজনতাকে সচেতন করতে উদ্যোগ নেওয়া হল পুলিশের তরফে।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker