অনিশ্চিত ভবিষ্যত ! শিক্ষক ডাক্তারদের পদোন্নতি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্য সরকারের (State Government) সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। চিকিৎসা শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক ও চিকিৎসকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া বাতিল হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর জেরে অতীতের নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলির স্বচ্ছতা নিয়েও নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্বাস্থ্য দফতর নিয়ে সিদ্ধান্ত রাজ্যের (State Government)
স্বাস্থ্য দপ্তরের একটি সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি সামনে আসতেই স্পষ্ট হয়েছে, মেডিক্যাল এডুকেশন সার্ভিসে পদোন্নতি সংক্রান্ত পূর্ববর্তী নির্বাচনী প্রক্রিয়া আর বহাল থাকছে না। গত মার্চ মাসে যে মেডিকেল সাক্ষাৎকার প্যানেল প্রস্তুত করা হয়েছিল, সেটি বাতিল করে নতুন করে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রফেসর পদে ২২৬টি, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর পদে ৪৭১টি এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদে ৩২৮টি শূন্যপদ রয়েছে। এই শূন্যপদগুলিতে পদোন্নতির জন্য কয়েক মাস আগে বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছিল।
স্বাস্থ্যভবনের সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতেই পদোন্নতির প্যানেলও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বুধবার স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তার জারি করা নতুন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পূর্ববর্তী প্যানেল এবং সংশ্লিষ্ট পদোন্নতি প্রক্রিয়া বাতিল করা হচ্ছে। পরিবর্তে নতুন করে আবেদন গ্রহণ এবং সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হবে।
নতুন সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৫ জুন থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং ৩০ জুন পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যাঁরা আগের পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদেরও আবার নতুন করে আবেদন করতে হবে। নতুন ইন্টারভিউয়ের সময়সূচি পরে প্রকাশ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : ভারতে কবে থেকে চালু হচ্ছে প্লাস্টিকের নোট? কী জানালেন RBI গভর্নর?
তবে ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হওয়া প্রক্রিয়াকে কেন বাতিল করা হল, সেই বিষয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা এখনও সামনে আসেনি। ফলে যাঁরা সাক্ষাৎকার দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় ছিলেন, তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বহু শিক্ষক-চিকিৎসকের ভবিষ্যৎ এখন নতুন প্রক্রিয়ার ফলাফলের উপর নির্ভর করছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে শূন্যপদ পূরণ এবং পদোন্নতির দাবিতে বিভিন্ন মহল সরব। সেই প্রেক্ষাপটে পুরনো প্যানেল বাতিল করে নতুনভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।




