অফিসে ক’টার মধ্যে ঢুকতে হবে, বেরোতে হবে কখন? এবার স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীদের জন্যেও কড়াকড়ি

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কাজের ক্ষেত্রে আর ঢিলেঢালা মনোভাব বরদাস্ত করা হবে না। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের উপস্থিতি ও বেরনোর সময় (Attendance Rule) নিয়ে কড়াকড়ির পথে হেঁটেছে নবান্ন। এবার জানা যাচ্ছে, রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের (West Bengal Health Department) কর্মী ও আধিকারিকদের অফিসে প্রবেশ ও বেরনোর সময়ও বেঁধে দেওয়া হল।
স্বাস্থ্য দফতরেও ব্যাপক কড়াকড়ি!- (West Bengal Health Department)
আগেই জানা গিয়েছিল, আগামী ১৫ জুন থেকে নবান্নে ফেস রেকগনিশন বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা বাধ্যতামূলকভাবে চালু করা হবে। এবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরও ফেস রেকগনিশন ডিভাইসের মাধ্যমে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করেছে বলে খবর।
আরও পড়ুনঃ CID তলবে ফের সাড়া দিলেন না অভিষেক! চিঠি দিয়ে এবার কী বললেন?
প্রশাসন সূত্র উদ্ধৃত করে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, অফিসে প্রবেশ ও অফিস থেকে বেরনোর সময় স্বাস্থ্য দফতরের সকল কর্মী ও আধিকারিকদের ফেস রেকগনিশন ডিভাইসের মাধ্যমে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে নানা বিভাগের প্রধানদের ক্ষেত্রে নয়া নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।
প্রশাসন সূত্র উদ্ধৃত করে ওই মিডিয়া রিপোর্টে আরও দাবি, সকাল ১০:১৫ মিনিট থেকে ১১টার মধ্যে কোনও কর্মচারীর উপস্থিতি নথিভুক্ত হলে সেটি ‘লেট’ হিসেবে গণ্য করা হবে। বেলা ১১টার পর যদি উপস্থিতি নথিভুক্ত হয়, তাহলে সেই কর্মীকে ‘অ্যাবসেন্ট’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এছাড়া বিকেল ৫:১৫ মিনিটের আগে অফিস থেকে বেরিয়ে গেলে ‘আর্লি ডিপারচার’ হিসেবে ধরা হবে। এছাড়া কোনও কর্মী যদি অফিস থেকে বেরনোর সময় উপস্থিতি নথিভুক্ত না করেন, তাহলেও তাঁকে ‘অ্যাবসেন্ট’ হিসেবে ধরা হবে এবং কোনও কর্মী যদি একইদিনে অফিসে দেরি করে ঢোকেন ও তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যান, তাহলে তাঁকে অফিসে ‘অনুপস্থিত’ হিসেবে ধরা হবে ও একটি ‘সিএল’ কেটে নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি কোনও মাসে তিনদিন দেরিতে আসা কিংবা আগে বেরনোর ক্ষেত্রে একদিনের সিএল/সিসিএল কেটে নেওয়া হবে।

সব মিলিয়ে, স্বাস্থ্য দফতরের সকল কর্মী ও আধিকারিকদের অফিসে আসা, বেরনো নিয়ে এবার ব্যাপক কড়াকড়ি শুরু হতে চলেছে বলে খবর। এবার থেকে যে কোনও রকম গা ছাড়া মনোভাব বরদাস্ত করা হবে না, তা একপ্রকার স্পষ্ট।




