‘আটকে থাকা প্যানেলের ভবিষ্যৎ কী?’,মুখ খুললেন শমীক

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা চাকরিপ্রার্থীরা। বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় প্যানেলে নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি না মেলায় ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাঁদের। সেই পরিস্থিতিতেই সোমবার কলকাতায় বিজেপির রাজ্য দফতরের সামনে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) সঙ্গে দেখা করেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। নিজেদের সমস্যা ও বঞ্চনার কথা তুলে ধরে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার আবেদন জানান তাঁরা।
চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশ্যে কী বললেন শমীক (Shamik Bhattacharya)?
চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, একাধিক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সফল হয়ে প্যানেলে নাম ওঠার পরও এখনও নিয়োগ হয়নি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তত তাঁদের সমস্যার সমাধান হবে বলে আশাবাদী তাঁরা। সেই কারণেই এদিন শমীক ভট্টাচার্যের সামনে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা।
তাঁদের অভিযোগ শোনার পর শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এখনও মন্ত্রিসভা তৈরি হয়নি। জুনের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে তৈরি হবে। তার পরেই যা কিছু পেন্ডিং রয়েছে। সহানুভূতির সঙ্গে এবং দায়িত্ব নিয়ে কাজ করবে সরকার।’ পাশাপাশি নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গেও সরব হন তিনি। শমীক বলেন, ‘ম্যালফাংশান হয়েছে, দুর্নীতি হয়েছে, যোগ্য মানুষের মেধা প্রতারিত হয়েছে, চাকরি বিক্রি হয়েছে। এগুলো আমার জানা, আপনারা যা বলছেন সেটা আমার জানা। আমি সরকার নই। আমি তো নির্দেশ দিতে পারি না। কিন্তু আমি সরকারকে বলব।”
চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও জানান, এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখতে পারেন তাঁরা। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আপনারা আস্থা রাখুন। শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা হিসেবে গত পাঁচ বছর ধরে সব বঞ্চিত, প্রতারিত, অবহেলিত মানুষের সঙ্গে দেখা করেছেন। তাঁদের পাশে থেকেছেন। তিনি প্রতিটি বিষয় ভালো করে বোঝেন। আমাদের দলও তাঁর সঙ্গে রয়েছে। তিনি আপনাদের সমস্যার সমাধান করে দেবেন। একটু সময় দেবেন।”

আরও পড়ুন : যুবকদের জন্য নতুন সুযোগ, ‘যুব শক্তি’ প্রকল্পে আবেদনের নিয়ম জেনে নিন
উল্লেখ্য, এদিন সল্টলেকে আয়োজিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘জনতার দরবার’-এও হাজির হয়েছিল চাকরিপ্রার্থীদের একাধিক সংগঠন। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে নিজেদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন তাঁরা। চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বাস দিয়েছেন যে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা ও বঞ্চনার পর নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন বহু চাকরিপ্রার্থী। এখন তাঁদের প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতির বাইরে বেরিয়ে দ্রুত বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হোক এবং আটকে থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়া শীঘ্রই সম্পূর্ণ করা হোক।




