0%

আমেরিকাকে ‘ক্ষয়িষ্ণু দেশ’ বলে খোঁচা জিনপিংয়ের, বাইডেনের ঘাড়ে দোষ ঠেললেন ট্রাম্প

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গিয়েছেন তিনদিনের চিন সফরে। আর সেই সফরে তাঁর সামনেই আমেরিকাকে ‘ক্ষয়িষ্ণু দেশ’ বলে খোঁচা দিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। কিন্তু সেই মন্তব্যে ‘দোষ’ পূর্বতন বাইডেনের ঘাড়েই ঠেললেন ট্রাম্প।

নিজের সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লিখেছিলেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি যখন অত্যন্ত মার্জিত ভঙ্গিতে আমেরিকাকে একটি সম্ভাব্য ক্ষয়িষ্ণু জাতি হিসেবে অভিহিত করেন, তখন তিনি মূলত ‘ঘুমন্ত জো বাইডেন’ ও তাঁর প্রশাসনের চার বছরে আমাদের যে বিপুল ক্ষতি হয়েছিল —সেই কথাই বলতে চেয়েছিলেন। আর এদিক দিয়ে তিনি শতকরা একশো ভাগ সঠিক ছিলেন।’

আরও পড়ুন:

ঠিক কী বলেছিলেন জিনপিং? তিনি অবশ্য সরাসরি ‘ক্ষয়িষ্ণু’ শব্দটি বলেননি। বলেছিলেন আকারে ইঙ্গিতে। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ”বিশ্ব আজ এক নতুন সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। চিন ও আমেরিকা কি ‘থুসিডাইডিস ট্র্যাপ’ অতিক্রম করে বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে?” কী এই থুসিডাইডিস ট্র্যাপ? হার্ভার্ডের অধ্যাপক গ্রাহাম অ্যালিসন প্রবর্তিত এই তত্ত্বটি নির্দেশ করে যে, কোনও উদীয়মান শক্তির উত্থানে নিজেদের অস্তিত্ব বিপন্ন মনে করার পর, একটি প্রতিষ্ঠিত শক্তি শেষমেশ সেই উদীয়মান শক্তির সঙ্গেই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। অ্যালিসন প্রাচীন গ্রিক ইতিহাসবিদ থুসিডাইডিসের নামানুসারে এই তত্ত্বটির নামকরণ করেন। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের ঠিক উলটো দিকে বসে জিনপিং ‘এক শতাব্দীতে নজিরবিহীন বিশাল পরিবর্তনের’ কথা উল্লেখ করেন। যা মূলত আমেরিকার আধিপত্যে চলা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থার সমাপ্তিরই ইঙ্গিত বহন করে।

উল্লেখ্য, বুধবার তিন দিনের চিন সফরে বেজিংয়ে পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার এক দফায় চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সেরেছেন তিনি। বৈঠক সেরে জিনপিংকে প্রশংসায় ভরান ট্রাম্প। বলেন, জিনপিং একজন ‘অসাধারণ নেতা’।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

শেয়ার

লিংক

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker