ওবিসি সংরক্ষণ মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য সরকার, জরুরি শুনানির আবেদন

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে পালাবদলের পর এবার ওবিসি (OBC) সংরক্ষণ সংক্রান্ত মামলা প্রত্যাহার করতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)৷ মামলা প্রত্যাহারের জন্য জরুরি শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতে। সূত্রের খবর, এই বিষয়ে সরকারের তরফে আইনজীবী কুনাল মিমানি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে চিঠি পাঠিয়েছেন।
ওবিসি সংরক্ষণ ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য | Supreme Court
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ৭৭টি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে ওবিসির তালিকাভুক্ত করেছিল তৎকালীন তৃণমূল সরকার। পরে ওবিসি সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর থেকে তৈরি রাজ্যের সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিল।
সেই সময় হাই কোর্টের নির্দেশে প্রায় ১২ লক্ষ সার্টিফিকেট এক ধাক্কায় বাতিল হয়ে যায়। ওবিসি শংসাপত্রের বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল সরকার। সেই সময় হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরও। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চে।
বর্তমানে রাজ্য সরকার তরফে এই মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে মোট তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বর্তমানে। রাজ্যের সিদ্ধান্তের বিষয়ে মূল মামলাকারী অমলচন্দ্র দাসের আইনজীবী বলেন, “ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে তিনটি মামলা রয়েছে। পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস সরকার যে বিজ্ঞপ্তিগুলো জারি করেছিল সেগুলিও প্রত্যাহার করে নিতে হবে।”

আরও পড়ুন: সেমিকন্ডাক্টরের ক্ষেত্রে বড় চুক্তি! নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ‘স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’-এর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
আরও বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সমীক্ষা চালিয়ে ১৪০টি শ্রেণিকে ওবিসি তালিকাভুক্ত করেছিল৷ তার বিরুদ্ধে ফের মামলা হয়েছিল। জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় ওবিসি সংরক্ষণ দেওয়াকে কেন্দ্র করেও একটি মামলা রয়েছে।’ শুধুমাত্র ২০২৪ সালের ২২ মে নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে করা মামলা প্রত্যাহার করে নিলেই সমস্যা মিটবে না বলেই জানান আইনজীবী।



