0%

‘নিজেকে রাজা ভাবছ?’, ঋণ করে ৯ লক্ষের ঘড়ি কিনে বাবার বকুনি খান সলমন!

বলিউডের ‘ভাইজান’ সলমন খান (Salman khan) সুপারস্টার হলেও তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় পরিবারকেন্দ্রিক মানুষ। খ্যাতি, অর্থ, সাফল্য সব কিছুর মাঝেও আজও তিনি মুম্বইয়ের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকেন। আর সেই টানই ফুটে উঠল তাঁর সাম্প্রতিক এক আবেগঘন স্মৃতিচারণে।

ভ্যারাইটি ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সলমন জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতেই তিনি নিজের জন্য নয়, বরং বাবা সেলিম খানের জন্য কিনেছিলেন প্রথম দামি উপহার। একটি রোলেক্স ঘড়ি। কিন্তু সেই সময় তাঁর হাতে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। প্রায় ৯ লক্ষ টাকার ঘড়ি কিনতে গিয়ে নিজের কাছে থাকা ৪ লক্ষের সঙ্গে বাকিটা তাঁকে ধার করতে হয়েছিল।

তবে এই উপহার পেয়ে প্রথমে মোটেও খুশি হননি সেলিম খান। বরং ছেলেকে কড়া ভাষায় সতর্ক করে তিনি বলেন, “ঠিকমতো কাজ শুরু করোনি, আর এখনই এত খরচ! নিজেকে কি রাজা ভাবছ?” যদিও সময়ের সঙ্গে তাঁর মন গলে যায়। পরে সেই ঘড়িকেই ‘গয়না’র মতো মূল্যবান বলে মনে করেন এবং সলমন আবার ঘড়ি পরা শুরু করলে সেটি তাঁকেই ফিরিয়ে দেন।

আরও চমকপ্রদ তথ্য, প্রায় ২৬-২৮ বছর ঘড়ি পরাই ছেড়ে দিয়েছিলেন সালমান! তাঁর নামে যে বিশাল ঘড়ির সংগ্রহ রয়েছে, সেই ধারণাকেও তিনি উড়িয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে তাঁকে যে ঘড়ি পরতে দেখা যায়, তার বেশিরভাগই বন্ধুদের কাছ থেকে ধার নেওয়া, নিজের বলতে রয়েছে কেবল ওই একটি রোলেক্স।

আরও পড়ুন:‘ইন্ডাস্ট্রিকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে’, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে সরব গৌতম ঘোষ!

খাবার ও ফিটনেস নিয়েও বরাবরের মতোই আলাদা পথেই হাঁটেন এই তারকা। ‘চিট মিল’-এ বিশ্বাসী নন তিনি। তাঁর কথায়, প্রতিদিনই যেন চিট মিল! তবে খাওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে কড়া নিয়ন্ত্রণ মাত্র এক চামচ ভাত, রুটি নয়, আর প্রয়োজনীয় প্রোটিন ঠিকই নেন।

কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সলমন। সামনে রয়েছে ‘মাত্রুভূমি’, যেখানে তাঁর সঙ্গে দেখা যাবে চিত্রাঙ্গদা সিং-কে। অপূর্ব লাখিয়া পরিচালিত এই ছবির মুক্তি পিছিয়েছে। এছাড়া ‘এসভিসি ৬৩’-তে প্রথমবার নয়নতারার সঙ্গে জুটি বাঁধছেন তিনি। ভামসি পাইডিপল্লী পরিচালিত এই ছবি মুক্তি পেতে পারে ২০২৭ সালের ঈদে।

আরও পড়ুন: রাজনীতি না ব্যক্তিগত আক্রমণ? সায়নী-জীতুর বাকযুদ্ধে সরগরম টলিউড

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker