বিপদে ‘বিদ্রোহী’রা? স্পিকারের কাছে ২০ জন সাংসদের সদস্যপদ বাতিলের দাবি অভিষেকের

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পরিষদীয় দলের পর তৃণমূলের (TMC) সংসদীয় দল ভেঙে চুরমার হয়েছে। সম্প্রতি কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায় সহ ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ এনসিপিআই-য়ের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঘোষণা করেছেন। এবার তাঁদের সদস্যপদ অবিলম্বে বাতিল করার দাবি জানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শুক্রবার লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকে এই দাবি তোলেন তিনি।
‘বিদ্রোহী’দের সদস্যপদ বাতিলের দাবি অভিষেকের | (Abhishek Banerjee)
শুক্রবার দিল্লিতে গিয়ে লোকসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র এবং রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। জানা গিয়েছে, দলত্যাগী ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে ওম বিড়লার কাছে ২০টি আলাদা ডিসকোয়ালিফিকেশন পিটিশন জমা দিয়েছেন অভিষেক।
আরও পড়ুনঃ কমল চিন্তা! জনকল্যাণ শিবির আবার কবে? সম্ভাব্য দিনক্ষণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, “ভারতের সংবিধানে অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে লেখা আছে, কোনও জনপ্রতিনিধি যদি আগে থেকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকেন ও সেই দলের প্রতীকে ভোটে জয়ী হন, তাহলে পরবর্তীতে তিনি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগদান করলে আইন অনুযায়ী তাঁর সেই আইনসভার সদস্যপদ সম্পূর্ণ খারিজ হয়ে যাবে। এটিই দেশের প্রচলিত নিয়ম”।

অভিষেক বলেন, “এই নিয়ম ও সাংবিধানিক ধারাকে যদি বিচার করা হয়, তাহলে তৃণমূলের প্রতীকে সাধারণ মানুষের ভোটে জিতে এসে যারা দল ছেড়ে দিয়েছেন, লোকসভার সেই সকল দলত্যাগী সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়াই স্বাভাবিক”।
বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পরেই তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোল পরিস্থিতি তৈরি হয়। সম্প্রতি কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ইউসুফ পাঠান সহ ২০ জন সাংসদ এনসিপিআই-য়ে মিশে যাওয়ার ঘোষণা করেন। এবার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানালেন অভিষেক।




