বেআইনি নিয়োগ নিয়ে কড়া প্রশাসন, সুপ্রিম নির্দেশানুযায়ী বড় সিদ্ধান্ত মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের

সবদিক নিউজ: ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একেরপর এক কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুভেন্দু সরকার (Suvendu Adhikari)। তবে এবার সুপ্রিম নির্দেশ মিলতেই এবার মাদ্রাসা গুলি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর (Madrasa Education Board)। জানা যাচ্ছে আগামী দিনে রাজ্যের মোট ১৪ টি জেলায় অবস্থিত মোট ৭১টি স্বীকৃত বেসরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসা সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকী বেঁধে দেওয়া হয়েছে সময়সীমা।
সুপ্রিম নির্দেশ মেনে বড় সিদ্ধান্ত মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের
রাজ্যের মাদ্রাসা গুলিতে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্রুটিমুক্ত করতেই এবার সুপ্রিম নির্দেশ মেনে রাজ্যের স্বীকৃত বেসরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসা নিয়ে এহেন কড়া পদক্ষেপ নিল মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। নিযুক্তদের মধ্যে অনেকেই অবৈধ বলে সন্দেহও করা হচ্ছে।
জানা যাচ্ছে মোট ওই ১৪ টি জেলার জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকদের (DI) এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য ২০১৫ ও ২০১৬ সালের সরকারি নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে যে সমস্ত শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছিল এবার তাঁদের নিয়োগ সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি সমস্ত তথ্য যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘শহীদ হয়ে গেছে তৃণমূল, জেলের ভাত খেতেই হবে!’ একুশে জুলাইয়ে কটাক্ষ সজল ঘোষের
কোন ১৪ জেলায় জারি নির্দেশ?
হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, বাঁকুড়া, বীরভূম, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি ও মালদা জেলা সহ মোট ১৪ জেলায় জারি করা হয়েছে নির্দেশ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অর্থাৎ ২৮ জুলাইয়ের মধ্যেই ওই সংশ্লিষ্ট জেলার স্কুল পরিদর্শককে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মাদ্রাস শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা।
যেমনটা জানা যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট ওই মাদ্রাসা গুলির প্রধান শিক্ষক, টিচার-ইন-চার্জ থেকে শুরু করে সুপারিন্টেনডেন্ট প্রত্যেকেই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বর্তমানে বেতন ছাড়াই কর্মরত কর্মীদের তথ্যও আলাদা করে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, সুপ্রিম নির্দেশ অনুযায়ী ওই সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলিতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে নিযুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বেতনও বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনকী তাদের চাকরি নিয়েও তৈরী হয়েছে অনিশ্চয়তা। সুপ্রিম কোর্ট এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ওই সমস্ত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের আর কোনোভাবেই মাদ্রাসায় নিয়মিত করা যাবে না।




