রাত জাগলে বাড়ছে হার্টের ঝুঁকি, দেরিতে ঘুমোলে ১৬% বেশি কার্ডিওভাস্কুলার রোগের আশঙ্কা – সবদিক

অনেকেই রাত জাগা পাখি হয়ে রাত জেগে কাজকর্ম করে অথবা সিনেমা দেখে অনেক গভীর রাতে ঘুমোতে যান। এমন রাত জেগে কাজ করে দেরিতে ঘুমোতে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে হার্টের অসুখ হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্যও দুর্বল। ইউকে বায়োব্যাঙ্ক ডেটার ওপর নির্ভর করে চালানো গবেষণায় দেখা গেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। Journal of the American Heart Association এ প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাপত্র।
৩৯ থেকে ৭৪ বছর বয়সি এমন ৩,২২,৭৭৭ জনের ওপর গবেষণা চালানো হয়। গবেষণার শুরুতে কারোরই হার্টের অসুখ ছিল না। অংশগ্রহণকারীদের কখন থেকে তাঁরা ঘুমোতে যান ও ঘুম ভেঙে ওঠেন তা জানাতে বলা হয়। ১৩.৮ বছর ধরে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হচ্ছে কিনা, তার দিকে নজর রাখা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব ব্যক্তি রাত জেগে কাজ করে দেরিতে ঘুমোতে যান আর সন্ধ্যায় ঘুম থেকে ওঠেন তাঁদের কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্য খুব দুর্বল। ডায়েট, শারীরিক কসরত, ঘুম, রক্তচাপ, রক্তের শর্করার মাত্রা, ধূমপান আর ওজন, ৮টা ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে হার্টের স্বাস্থ্য কেমন আছে তা বোঝা যায়। যে সব ব্যক্তি রাত জেগে কাজ করে দেরিতে ঘুমোতে যান আর সন্ধ্যায় ঘুম থেকে ওঠেন তাঁদের এসেন্সিয়াল ৮ স্কোর ৭৯% বেশি।
ফলো আপ পিরিয়ডে বিশ্লেষণ করে দেখা যায় ১৭৫৮৪টি কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ হওয়া দেখা গেছে। ১১,০৯১ জনের হার্ট অ্যাটাক ও ৭২১৪ জনের স্ট্রোক হয়। বয়স, লিঙ্গ, আর্থসামাজিক পরিবেশ, কাজের সময়, পারিবারিক হার্টের অসুখের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, যে সব ব্যক্তি রাত জেগে কাজ করে দেরিতে ঘুমোতে যান আর সন্ধ্যায় ঘুম থেকে ওঠেন তাঁদের ১৬% বেশি কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।



