স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রুগীর খাদ্য থেকে মিড-ডে মিল, ৯ বছর পর বরাদ্দ বৃদ্ধি ঘোষণা শুভেন্দুর

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে এইমাত্র দুমাস হল ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। এরই মধ্যে একের পর এক বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সম্প্রতি রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও বিদ্যালয়ে দেওয়া খাবারের গুণমান খতিয়ে দেখা হয়। এর পরই বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বাড়িয়ে দেওয়া হলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী থেকে শুরু করে সরকারি খুলে মিড ডে মিল প্রকল্পের বরাদ্দ।
মিড ডে মিল-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে খাবারের বরাদ্দ বৃদ্ধির ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর
আজ অর্থাৎ সোমবার ১৩ জুলাই সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে জানানো হয়েছে আগামী পহেলা আগস্ট থেকে স্কুলের পড়ুয়া তথা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের খাবারের গুণগত মান তথা খাবারে পুষ্টির মাত্রা বজায় রাখতে জনপ্রতি বরাদ্দ এক ঢাকায় বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়া হলো।
দ্বিগুণ হচ্ছে রোগীদের জন্য বরাদ্দ
যেমনটা জানা যাচ্ছে, বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীদের জন্য ৫৬.৬৪ টাকা বরাদ্দ করা হয়। তবে নতুন ঘোষণা অনুযায়ী এটা বেড়ে হয়ে গেল ১১০ টাকা। একইভাবে সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলিতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য মিড ডে মিলে জনপ্রতি বরাদ্দ ছিল ৬.৭৮ টাকা। এটিও বাড়িয়ে ১০ টাকা করে দেওয়া হলো। আগামী পহেলা আগস্ট থেকেই নতুন বরাদ্দ কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ বদলে গেল ভোটার তালিকায় নাম তোলার নিয়ম! বাধ্যতামূলক বাবা-মায়ের এই তথ্য
৯ বছর পর বরাদ্দ বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
আসলে প্রতিনিয়ত খাদ্যদ্রব্য ও আনুষঙ্গিক জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার ফলে স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে শুরু করে ফুলের বাচ্চাদের পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাদ্য দিতে পারাটাই একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শেষবার ৯ বছর আগে বা ২০১৭ সালে খাদ্যের জন্য বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ সংশোধন করা হয়েছিল। ছবি রাজ্যের মানুষের কল্যাণে মাত্র দু মাস ক্ষমতায় আসার মধ্যেই এই বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিল নবনির্মিত সরকার। হোলি ফুলের ছেলে মেয়েরা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা আরও ভালো পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার পাবেন।
প্রসঙ্গত ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিজেপি সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী হাফ জানিয়ে ছিলেন নতুন সরকারের মূল উদ্দেশ্য হবে সাধারণ দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের জীবন যাত্রার মান আর উন্নত করে তোলা এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা যোগ্য মানুষদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার জন্য বিজেপি সরকার যে বদ্ধপরিকর, সেটা একের পর এক আসতে থাকা এমন বড় সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়েই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে সকলের কাছে।




