0%

‘কিসি কো নফরত হ্যায় মুঝসে, অউর কোই প্যায়ার কর বৈঠা হ্যায়’, ঋতিকার সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্ট ঘিরে জল্পনা শুরু

বিজেপি বিধায়ক ও অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ে (Hiraan Chatterjee Marriage) ঘিরে এখন তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। বেনারসের ঘাটে দাঁড়িয়ে গঙ্গার সামনে হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় ওরফে ‘হিরো হিরণ’-এর বিয়ের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই প্রথমে অনেকের কাছেই তা ছিল একেবারে রোম্যান্টিক সারপ্রাইজ। ধর্মীয় আবহ, গঙ্গার পবিত্রতা, আর বেনারসের ঘাট, সব মিলিয়ে মুহূর্তটি যেন সিনেমার দৃশ্যের মতোই মনে হয়েছিল নেটিজেনদের একাংশের কাছে। কিন্তু সেই রোম্যান্টিক আবেশ খুব দ্রুতই বদলে যায় প্রশ্ন ও বিতর্কে।

এই বিয়ের পরই সামনে আসেন হিরণ প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা, যিনি দাবি করেন, হিরণ চট্টোপাধ্যায় এখনও আইনগতভাবে তাঁর স্বামী। অনিন্দিতার বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁদের বিয়ে হয়েছিল ২০০০ সালের ১১ ডিসেম্বর। অর্থাৎ, গত মাসেই পূর্ণ হয়েছে তাঁদের দাম্পত্য জীবনের ২৫ বছর। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই পরিস্থিতি জটিল আকার নেয়। কারণ, যদি সত্যিই তাঁদের মধ্যে বিচ্ছেদ না হয়ে থাকে, তাহলে দ্বিতীয় বিয়ে কীভাবে সম্ভব এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে সর্বত্র।

আরও পড়ুন: সাফল্যের পথ সহজ নয়! পার্লে-জি বিস্কুট আর জল খেয়ে খিদে মেটাতেন ‘টুয়েলভথ ফেল’ খ্যাত বিক্রান্ত ম্যাসি!

এই বিতর্কের মাঝেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে ঋতিকার ভূমিকা নিয়েও, যাঁর সঙ্গে হিরণের দ্বিতীয় বিয়ের কথা প্রকাশ্যে এসেছে। অনেকেই তাঁর বিরুদ্ধে মন্তব্য করছেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে আরও সংযতভাবে দেখার পক্ষেও মত দিচ্ছেন। এই উত্তাল পরিস্থিতিতে ঋতিকা নিজেও সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু বার্তা দেন, যা নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।

ঋতিকা একটি পোস্টে লেখেন, “জীবনে একটি উদ্দেশ্য নিয়ে বাঁচতে হবে। সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে, অহঙ্কারকে জীবন থেকে দূর করতে হবে।” পাশাপাশি তিনি গীতার কয়েকটি বাণীর সারমর্ম তুলে ধরে লেখেন, “কর্ম করে যাও, ফলের চিন্তা ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দাও। আত্মা অমর, শরীর নশ্বর। আত্মার না জন্ম হয়, না মৃত্যু। নিজের ভাবনাচিন্তা শুদ্ধ হলে, সঠিক দিশা এমনিই পাওয়া যায়।” 

আরও পড়ুন: মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে লজ্জা পেতেন কোয়েল, তারকা সন্তান হয়েও একেবারে সাধারণ!

এখানেই শেষ নয়। গতকাল ঋতিকা ফের একটি হলুদ শাড়ি পরা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টোরি হিসেবে পোস্ট করেন। তার সঙ্গে যোগ করেন একটি উর্দু শায়েরি-
“কিসি কো নফরত হ্যায় মুঝসে অউর
কোই প্যায়ার কর বৈঠা হ্যায়।
কিসি কো ইয়াকিন নেহি মেরা অউর
কোই এতবার কর বৈঠা হ্যায়।
কিতনি আজীব হ্যায় না ইয়ে দুনিয়া,
কোই মিলনা নেহি চাহতা মুঝসে অউর
কোই ইনতেজার করতে বৈঠা হ্যায়।”

এই শায়েরির মাধ্যমে যেন তিনি বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন, পৃথিবীর দৃষ্টিভঙ্গি কতটা বৈপরীত্যে ভরা, কেউ ঘৃণা করে, কেউ ভালোবাসে, কেউ বিশ্বাস করে না, আবার কেউ নিঃশর্ত ভরসা রাখে। 

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker