0%

মৃত নারী শরীরে ‘খিদে’ মেটাত হামাস জঙ্গিরা! ‘নেক্রোফিলিয়া’র শিউড়ে ওঠা তথ্য প্রকাশ্যে

‘পাশবিক’ শব্দটি মানুষের নিষ্ঠুরতা বোঝাতে ব্যবহার করা হলেও পশুদের চেয়ে নির্দয়তায় যে মানুষই এগিয়ে তা বার বার প্রমাণ হয়েছে। বন্দি ইজরায়েলি নারীদের উপর যে অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছে হামাস জঙ্গিরা, তা এই কথাই নতুন করে মনে করিয়ে দিচ্ছে।

ইজরায়েলের একটি স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ইজরায়েলি বন্দিদের উপর নারকীয় অত্যাচার চালিয়েছে হামাস। যৌন খিদে মেটানোর জন্য মৃত নারী শরীরকেও ছাড়ত না জঙ্গিরা। তিনশো পাতার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শুধু ধর্ষণ কিংবা যৌন নির্যাতনেই থেমে থাকত না হামাস। গোটা পরিবারকে বন্দি করে একসঙ্গে নির্যাতন করা হত, যাতে যন্ত্রণা এবং কষ্ট সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া যায়। জানা গিয়েছে, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি, প্রত্যক্ষদর্শী এবং মুক্তি পাওয়া পণবন্দিদের সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ১০ হাজারেরও বেশি ছবি এবং ভিডিও পর্যালোচনা করে রিপোর্টটি প্রস্তুত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

রিপোর্ট অনুযায়ী, জীবিত হোক কিংবা মৃত নারীদের উপর নৃশংস অত্যাচার করাই হামাসের ‘ধর্ম’। চলত প্রকাশ্যে ধর্ষণ, অঙ্গহানির মতো নারকীয় অত্যাচার। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বন্দিদের হত্যা করে দেহগুলিকে বিজয়চিহ্ন হিসাবে প্রদর্শন করা হত। রিপোর্টে বলা হয়েছে, বন্দি নারীরা শুধু শারীরিক নয়, যাতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়, তা-ও নিশ্চিত করত হামাস জঙ্গিরা। মহিলাদের জোর করে বিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যদের একে অপরের সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত করতে বাধ্য করত তারা।     

প্রতিবেদনের একটি অংশে দুই ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, অপহরণকারীরা বলপূর্বক তাঁদের যৌনকর্মে বাধ্য করেছিল। ইজরায়েলের একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “নিজের চোখের সামনে একের পর এক ভয়ংকর ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি। একবার দেখেছিলাম, একদল হামাস জঙ্গি এক মহিলাকে গাড়ি থেকে টেনে বের করে জোর করে তাঁর পোশাক খুলে দেয়। তারপর প্রকাশ্যে গণধর্ষণ করে তারা। নির্যাতনের পর ছুরি দিয়ে কুপিয়ে তারা তাঁকে হত্যা করে। মৃত্যুর পরও তাদের যৌন লালসা থেকে পার পাননি সেই মহিলা।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

শেয়ার

লিংক

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker