Jagadish Chandra Barma Basunia: ছেলের অস্ত্রোপচারের জন্য দিল্লিতে কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ, ডেরেককে ছবি পাঠিয়ে প্রমাণ দিতে হল

জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়াImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা ও নয়াদিল্লি: দলের ভাঙন বাড়ছে। আর এর সঙ্গে সন্দেহের বাতাবরণও বাড়ছে তৃণমূলে। আর তা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে সাংসদের মুখের কথাও ‘বিশ্বাস’ করছেন না নেতৃত্ব। যথারীতি ফোনে ছবি তুলে পাঠাতে হল। এমনই ঘটনা ঘটেছে কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার সঙ্গে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা ছেলের ছবি ডেরেক ও’ব্রায়েনকে পাঠিয়ে তাঁকে ‘প্রমাণ’ দিতে হল যে তিনি সত্যি কথা বলছেন। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ। এর ফলে বিক্ষুব্ধদের দলে তিনিও যে নাম লেখাতে পারেন, সেই ইঙ্গিতও দিলেন।
এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তাঁর ছেলের কিডনিতে স্টোন হয়েছিল। তারই অস্ত্রোপচারের জন্য রাজধানীতে রয়েছেন। এর জেরে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ফোন করেছিলেন জগদীশ বসুনিয়াকে। দলের সুপ্রিমোর বৈঠকে কেন অনুপস্থিত তা জানতে চান। কেন তিনি দিল্লিতে রয়েছেন, তাও জানতে চান। কোথায় রয়েছে, সেই ছবি-সহ ‘প্রমাণ’ চান বলে অভিযোগ। তখন ছেলের হাসপাতালে শুয়ে থাকার ছবি ডেরেককে পাঠাতে হয়েছে বসুনিয়াকে।
কী বলছেন কোচবিহারের সাংসদ?
এই নিয়ে ডেরেকের উপর স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ কোচবিহারের সাংসদ। তিনি বলেন, “ছেলের কিডনিতে স্টোন হয়েছে। দলনেত্রীকে জানিয়ে ছেলেকে নিয়ে দিল্লি এসেছি।” দিল্লিতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তৃণমূল সাংসদের ছেলের অস্ত্রোপচার হয়। এদিন লোকসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছিলেন তাঁকে। কোচবিহারের সাংসদ কল্যাণের ফোন ধরেননি বলেই খবর।
কোচবিহারের সাংসদ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, লোকসভায় তৃণমূলের বেশিরভাগ সাংসদ যা সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি সেদিকেই থাকবেন। অর্থাৎ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ লোকসভায় ‘নতুন ব্লক’ গঠন করলে তাঁদের সঙ্গেই থাকবেন বসুনিয়া। প্রসঙ্গত, তাঁর বিধায়ক স্ত্রী সঙ্গীতা রায় গতকাল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধানসভায় গিয়ে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি এখন কী করবেন, সেটাই দেখার।



