ডিজিটাল ক্রিয়েটারদের জন্য বড় সুযোগ! ‘জেমস অফ ইন্ডিয়া’ চ্যালেঞ্জ শুরু কেন্দ্রের, কীভাবে করবেন আবেদন?

সবদিক নিউজ: যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েশনের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন অনেকেই। এমতাবস্থায়, ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে ‘অরেঞ্জ ইকোনমি’ বা সৃজনশীল অর্থনীতির প্রসারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ‘জেমস অফ ইন্ডিয়া’ চ্যালেঞ্জ চালু করেছে। এর উদ্দেশ্য হল সারাদেশে একদম প্রাথমিক স্তর থেকেই ডিজিটাল ক্রিয়েটারদের (Digital Creator) চিহ্নিত করা এবং তাঁদের প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য একটি মঞ্চ প্রদান করা ও ভারতের (India) সৃজনশীল পরিমণ্ডল তথা ক্রিয়েটিভ ইকোসিস্টেমকে (Creative Ecosystem) শক্তিশালী করা।
ডিজিটাল ক্রিয়েটারদের (Digital Creator) জন্য বড় সুযোগ:
এই উদ্যোগটি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের WAVES OTT-এর অধীনে চালু করা MyWAVES Citizen Creator প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যা ক্রিয়েটারদের মৌলিক বিষয়ের ওপর ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি, আপলোড এবং শেয়ার করার সুযোগ দেয়। মন্ত্রকের মতে, ভারতের প্রতিটি জেলাতেই এমন সব কাহিনি আছে যা বিশ্বকে বলা প্রয়োজন।

বিশ্বের সঙ্গে কাহিনি ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ: এই প্রসঙ্গে মন্ত্রকের সচিব চঞ্চল কুমার বলেছেন, ‘জেমস অফ ইন্ডিয়া’ সারা দেশের ক্রিকেটারদের বিশ্বের সঙ্গে তাদের কাহিনি ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ করে দেবে। এই চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে, ক্রিয়েটাররা MyWAVES বিভাগের মাধ্যমে ১ থেকে ৩ মিনিটের একটি ভিডিও আপলোড করতে পারবেন। পরীক্ষামূলক পর্বের জন্য আবেদনপত্র ১ থেকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে।
জেনেরিক ওষুধ আমদানিতে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের! কতটা প্রভাবিত হবে ভারত?
জানিয়ে রাখি যে, এই উদ্যোগটি আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ থেকে শুরু করে চণ্ডীগড়, দাদরা ও নগর হাভেলি, দমন ও দিউ, গোয়া, লাদাখ এবং অরুণাচল প্রদেশ থেকে শুরু হবে। ইউটিউব এবং মেটা-ও তাদের ক্রিয়েটর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করবে। এই উদ্যোগটি ক্রমশ সমস্ত অঞ্চলে প্রসারিত হবে।
বাড়ল শক্তি! ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হল ৮০ শতাংশ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত ‘সাবমেরিন হান্টার’ INS মালভান
এই সেক্টর দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে: উল্লেখ্য যে, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতে অ্যানিমেশন থেকে শুরু করে ভিজ্যুয়াল এফেক্টস, গেমিং এবং কমিকস (AVGC) সেক্টর দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনুমান করা হচ্ছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে এই ক্ষেত্রে ২০ লক্ষেরও বেশি পেশাদারের প্রয়োজন হবে। এই উদ্যোগটি শিল্পকলা, সংস্কৃতি, ডিজাইন, মিডিয়া, ডিজিটাল কন্টেন্ট, সঙ্গীত, পর্যটন, অ্যানিমেশন, গেমিং এবং ফ্যাশনের মতো সেক্টরগুলিকেও উৎসাহিত করবে।




