0%

Condoms found in closed factory in Purba Bardhaman

বন্ধ কারখানায় মধুচক্র! দরজা খুলতেই উদ্ধার গর্ভনিরোধকের প্যাকেট থেকে ব্যবহৃত গর্ভনিরোধক। মালিক-সহ স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে বন্ধ থাকা ন্যাপথালিন কারখানার গেট খুলতেই মিলল কন্ডোম। গ্রামবাসীদের অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন, বন্ধ কারখানার ভিতরে অসামাজিক কাজ চালিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা কামাই করা হয়েছে। মধুচক্র চালানো হত বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। কারখানা মালিকের দাবি, কীভাবে এইগুলি সেখানে এল তা তিনি জানেন না।

পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি থানার টুবগ্রাম ও কলিগ্রামের মাঝে অবস্থিত কারখানাটি। মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর দপ্তরে খবর যায় কারখানাটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে গ্রামবাসীদের চাপে না কি কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করা হয়। শুক্রবার স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব কারখানার গেট খোলার ব্যবস্থা করেন।

স্থানীয় বিজেপি নেতা খোকন বৈরাগ্য গ্রামের মানুষজনকে সঙ্গে নিয়ে কারখানাটি খুলতে যান। কারখানার মালিক সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও সঙ্গে যান। মূল গেট খোলার পড়েই সকলের চক্ষু চড়কগাছ! গ্রামবাসীদের দাবি, কারখানার ভিতর থেকে গর্ভনিরোধ ও গর্ভনিরোধকের প্যাকেট পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। আরও কিছু আপত্তিকর জিনিস দেখা গিয়েছে। তবে কারখানার ভিতর কয়েকটি মেশিনও থাকতে দেখা গিয়েছে।

গ্রামবাসীদের অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন, বন্ধ কারখানার ভিতরে অসামাজিক কাজ চলত। মধুচক্র চালানো হত বলেও অভিযোগ। আর, এটা যে ন্যাপথলিনের কারখানা তাঁদের জানাই ছিল না। বিজেপি নেতা খোকন বৈরাগ্য জানান, কারখানা বন্ধের খবর পেয়েই তাঁরা খোলার জন্য উদ্যোগী হন। তাঁরা কেউ কারখানা চালু করতে কোনও বাধা দেননি। যদিও কারখানা মালিক সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বন্ধ কারখানা খুলতে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আপত্তিকর জিনিস কীভাবে ওখানে এল তা জানি না।” তিনি দাবি করেন, কারখানার চাবি গ্রামের একজনের কাছে থাকত। স্থানীয়রা ঘটনার তদন্তের করেছেন।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker