Gaighata: বারুইপুরের পর গাইঘাটা, নাবালিকা ধর্ষণ কাণ্ডে পুলিশের এনকাউন্টারে নিকেশ অভিযুক্ত | Gaighata Encounter Death In Rape Case

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বারুইপুরের চিত্র এবার ফুটে এলে গাইঘাটায় (Gaighata), পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হল গাইঘাটায় নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে যৌন হেনস্থা ও খুনের মামলায় ধৃত প্রহ্লাদ দাসের (Gaighata Encounter Death)। জানা গিয়েছে, ভোর রাতে বছর তেইশের ধৃত ধৃতকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে পুনর্নির্মাণ করার সময় ফেরার পথে পুলিশের রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করেছিল। আত্মরক্ষার্থে পুলিশের তরফেও পালটা গুলি চালানো হয়। আর তাতেই মৃত্যু হয় তাঁর।
এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় প্রহ্লাদের
দুর্গাপুজো উপলক্ষে প্রতিবছর বিজয়া দশমীর পরে পাড়ায় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত শনিবার পাড়ার অন্য ছেলেমেয়েদের সঙ্গে ওই কিশোরীও অনুষ্ঠানে গিয়েছিল। কিন্তু তারপর আর তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। এরপর কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন ভোরে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার বাড়ির লাগোয়া খালপাড় থেকে ওই নাবালিকার অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরই গাইঘাটা থানায় ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ দায়ের করে মেয়েটির পরিবার। অভিযোগ পাওয়ার পরেই প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর আজ, মঙ্গলবার ভোররাতে তাকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফেরার পথেই এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় প্রহ্লাদের।
রিভলভার ছিনিয়ে নিয়েছিল প্রহ্লাদ
গাইঘাটা থানার পুলিশের তরফে জানানো হয় যে, আজ ভোররাতে ধৃত প্রহ্লাদ দাসকে অপরাধস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেখান থেকে ফেরার সময় আচমকা এক পুলিশ আধিকারিকের কাছ থেকে রিভলভার ছিনিয়ে নেয় প্রহ্লাদ। এমনকি পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিও চালায় সে। শেষে ওই পুলিশ আধিকারিক কোনোরকমে খালে লাফিয়ে প্রাণে বাঁচেন। এর পর আত্মরক্ষার্থে অন্য এক পুলিশ আধিকারিক কয়েক রাউন্ড গুলি চালান আর তাতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে প্রহ্লাদ। পরে ধৃতের দেহ বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
পুজোর ছুটি শেষেই গ্রামে বদলি হবেন শহুরে শিক্ষকরা, বড় পদক্ষেপ শিক্ষা দফতরের
গাইঘাটায় নাবালিকা নির্যাতন কাণ্ডে দু’দিন আগে বিবৃতি দিয়েছিল বনগাঁ পুলিশ জেলার এসপি বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত। সেই সময় তিনি বলেছিলেন যে, “প্রাথমিক তদন্তে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনা বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু তদন্ত চলছে। মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। পোস্টমর্টেম হবে। সব দিক খতিয়ে দেখব আমরা। আরও কেউ যুক্ত কি না দেখা হবে।” কিন্তু তার আগেই এনকাউন্টারে মৃত্যু হল অভিযুক্তের।
অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া
গাইঘাটার এই এনকাউন্টার প্রসঙ্গে এক অভিভাবক জানিয়েছেন, “যা হয়েছে বেশ হয়েছে। এমন ছেলেকে এনকাউন্টার করেই মারা উচিত, নইলে এদের কোনো শিক্ষা হবে না। আজ আমার ঘরেও মেয়ে আছে, প্রতিটা ঘরে মেয়ে আছে, সেও যাতে ভবিষ্যতে সুন্দরভাবে নিজের জীবন কাটাতে পারে তা আমাদের সকলকেই দেখতে হবে।”



