0%

Sheikh Sufian, Pabitra Kar, does not want to contest in Nandigram by-election, TMC is looking for a candidate

ফলতায় পুনর্নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস চতুর্থ স্থানে। শুধু নয়, জামানতই বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে আর কেউ তৃণমূলের প্রার্থী হতে চাইছেন না। যার ফলে নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী পেতে যে কালঘাম ছুটতে চলেছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হওয়া নিয়ে যে লড়াই চলছিল, বাংলার মসনদে বিজেপি বসতেই সব ফিকে হয়ে গিয়েছে। তাই উপনির্বাচন ঘোষণার আগে থেকেই প্রার্থী হওয়া থেকে দূরে সরে যেতে চাইছেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতারা। এমনকী, বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর মুখ ফিরিয়েছেন পবিত্র করও। নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে আর প্রার্থী হতে নারাজ তিনি। পবিত্র কর বেঁকে বসতেই নন্দীগ্রামে দলের পুরনো মুখ শেখ সুফিয়ানের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন সুফিয়ানও। ফলে নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে প্রার্থী খুঁজতে গিয়েই বেকায়দায় পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

এই বিষয়ে আরও খবর

ভবানীপুরের বিধায়ক পদ রেখে নন্দীগ্রামের বিধায়ক হিসাবে ইস্তফা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম থেকে প্রায় ১০ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সংবিধানের নিয়ম মেনে বিধায়ক পদ থেকে শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দেওয়ায় এবার নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হবে। সেই উপনির্বাচনেরই প্রার্থী খুঁজতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। সূত্রের খবর, তৃণমূলের রাজ্য স্তরের নেতারা সুফিয়ানের নন্দীগ্রামের বাড়িতে এসে তাঁকে উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাবে না করে দেওয়ার পাশাপাশি দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সুফিয়ান। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরও ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে সুফিয়ানের মুখে। 

তৃণমূলের রাজ্য স্তরের নেতারা সুফিয়ানের নন্দীগ্রামের বাড়িতে এসে তাঁকে উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাবে না করে দেওয়ার পাশাপাশি দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সুফিয়ান। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরও ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে সুফিয়ানের মুখে।

সুফিয়ান নিজেই জানিয়েছেন, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে দল তাঁকে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিলেও তা ফিরিয়েছেন তিনি। একদা নন্দীগ্রামে তৃণমূলের বিশ্বস্ত সৈনিক সুফিয়ান দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে বললেন, দলের কেউ খোঁজ রাখে না। বারবার অধিকারী পরিবারের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জন্য আমাদের উস্কানো হয়েছে। কিন্তু তারপরে আর দলের কেউ যোগাযোগই করেনি। একসময় যে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে সরব হতেন, সেই শুভেন্দু অধিকারীরও ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে শেখ সুফিয়ানের গলায়। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যথেষ্ট সফল হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। নন্দীগ্রামকেও শুভেন্দু অধিকারী অনেক কিছু দেবেন বলে আশাবাদী সুফিয়ান। শুভেন্দুর সাংগঠনিক ক্ষমতারও প্রশংসা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। 

উপনির্বাচন ঘোষণার আগে থেকেই প্রার্থী হওয়া থেকে দূরে সরে যেতে চাইছেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতারা। এমনকী, বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর মুখ ফিরিয়েছেন পবিত্র করও। নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে আর প্রার্থী হতে নারাজ তিনি।

নন্দীগ্রামে বরাবরই তৃণমূলের অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন শেখ সুফিয়ান। ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছিলেন এই সুফিয়ান। সেবার অবশ্য পরাজিত হন তিনি। পরে পঞ্চায়েত ভোটে জয়ী হয়ে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ হন তিনি। শেখ সুফিয়ান বলেন, ‘‘আমাকে তো পরিবারের সঙ্গে থাকতে হয়। আমার মেয়ে, জামাই, নাতি-নাতনি, স্ত্রী এরা চাইছে না যে, আর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকি। আমি তাই আর রাজনীতির সঙ্গে প্রকাশ্যে কোনও যোগাযোগ রাখব না, প্রত্যক্ষ যোগাযোগও থাকবে না। কিন্তু এটাও বলছি স্পষ্ট করে, আমি তৃণমূল দলকে ভালোবাসি, দিদিকে ভালোবাসি। দিদির সামনে তো সবকিছু বলা যাবে না। দিদিকে আমি মায়ের মতো শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি। বোঝানোর চেষ্টা করব দিদিকে। যে আমি আর ভোটে দাঁড়াব না, রাজনীতিতে থাকব না।’’

এই বিষয়ে আরও খবর

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker