Sudip Bandyopadhyay: কেন অন্য রাজনৈতিক দলে মিশলেন? তৃণমূলের লোগোর দাবিদার থাকবেন? সবটা বললেন সুদীপ

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা ও নয়াদিল্লি: সংসদে কি তৃণমূলের আলাদা ব্লক হিসেবে বসবেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা? কয়েকদিন ধরেই এই নিয়ে জল্পনা চলছিল। একইসঙ্গে আরও একটি বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা বাড়ছিল। তৃণমূলের লোগো-সহ অন্যান্য বিষয়ের প্রকৃত দাবিদার কারা হবে? রবিবার তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা ঘোষণা করেছেন, ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া নামে একটি দলের সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন তাঁরা। তাহলে কি তৃণমূলের লোগো ও অন্যান্য বিষয়ের দাবিদার আর রইলেন না তাঁরা? এই নিয়ে টিভি৯ বাংলায় এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে সবটা বললেন কলকাতা উত্তরের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিক্ষুব্ধদের দলে নাম লেখানো বর্ষীয়ান এই সাংসদ স্পষ্ট করে দিলেন, এমনটা আদৌ নয়। কী বললেন তিনি?
কেন অন্য রাজনৈতিক দলে মিশে যেতে হল?
লোকসভায় তৃণমূলের নতুন ব্লক হিসেবে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা বসতে পারেন বলে কয়েকদিন ধরে জল্পনা চলছিল। সেসব না করে একটি রাজনৈতিক দলে মিশে যাওয়া নিয়ে টিভি৯ বাংলাকে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ থাকলেও যদি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না হয়, তাহলে দলত্যাগ আইনে পড়ে যেতে হয়। সেজন্য নির্বাচন কমিশন স্বীকৃত আঞ্চলিক কিংবা সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দলের আশ্রয় নিতে হয়। সেই জন্য আমরা এই দলের আশ্রয় নিয়েছি।”
তাহলে কি মূল তৃণমূল কংগ্রেসের দাবিদার তাঁরা হতে পারবেন?
এই নিয়ে সুদীপ বলেন, “সেটা ২০ জুলাই লোকসভা খুললে আর একটি তৃণমূল যখন এসে যুক্ত হবে, তখন স্পিকারের কাছে জানানোর সুযোগ থাকবে যে আমরাই ওই দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য যাঁরা আলাদা ব্লকে বসে রয়েছি। গোটা বিষয়টা আদালতের কাছে চলে যাবে।” সেক্ষেত্রে তৃণমূলের লোগো-সহ যাবতীয় জিনিসের দাবিদার কি তাঁরা হতে পারবেন? সুদীপের স্পষ্ট জবাব, “সেটা নিয়ম অনুযায়ী আসবে। সেটা আইনজীবীরা ঠিক করবেন।” অর্থাৎ অন্য দলের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা মিশে গেলেও তৃণমূলের লোগো-সহ অন্যান্য বিষয়ের দাবি থেকে তাঁরা যে সরে আসছেন না, তা স্পষ্ট করে দিলেন সুদীপ।



