TMC leader made to walk at Magrahat paschim with lungi and batman featured t-shirt

মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রেও পুলিশের ‘ফলতা মডেল।’ বৃহস্পতিবার ফলতার ‘ত্রাস’ তথা এলাকার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানকে হাফপ্যান্ট আর গেঞ্জি পরিয়ে ফলতার রাস্তায় ঘুরিয়েছিল পুলিশ। শুক্রবার সেই একই ছবি ধরা পড়ল দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের লক্ষ্মীকান্তপুরে। গ্রেপ্তার হওয়া তৃণমূল নেতা পঙ্কজ বরকে লুঙ্গি-গেঞ্জি পরিয়ে লক্ষীকান্তপুরের রাস্তায় হাঁটাল পুলিশ। তাঁর গেঞ্জিতে আবার ‘ব্যাটম্যান’ আঁকা! এদিন ওই তৃণমূল নেতাকে বেশ খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়। অন্যদিকে, এদিন ফলতায় ফের জাহাঙ্গিরকে নিয়ে হাঁটায় পুলিশ। আজ তাঁকে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে দেখা গিয়েছে।
লক্ষ্মীকান্তপুর এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতা পঙ্কজ বর বছর তিন-চারেক ধরেই এলাকায় অত্যাচার চালাচ্ছিলেন। বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার ভাইস প্রেসিডেন্ট গৌর ঘোষ বলেন, ‘‘২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের ওই নেতা লক্ষ্মীকান্তপুরের স্থানীয় বাসিন্দা পারস মাখালের উপর বর্বরোচিত আক্রমণ চালায়। তৃণমূল নেতার আক্রমণে ওই বাসিন্দার একটি চোখও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন এলাকার মানুষের উপর ব্যাপক অত্যাচার চালিয়েছিল ওই তৃণমূল নেতা। তাঁর ভয়ে সন্ত্রস্ত ছিল গোটা এলাকা।”
পঙ্কজের স্ত্রী স্থানীয় লক্ষীকান্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য। কিন্তু স্ত্রীর হয়ে বকলমে পঞ্চায়েতের সমস্ত কাজকর্ম দেখাশোনা করত পঙ্কজই।অভিযোগ, সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করে কাটমানির বিনিময়ে অন্যদের সুযোগ পাইয়ে দিয়েছিল পঙ্কজ।
পঙ্কজের স্ত্রী স্থানীয় লক্ষীকান্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য। কিন্তু স্ত্রীর হয়ে বকলমে পঞ্চায়েতের সমস্ত কাজকর্ম দেখাশোনা করত পঙ্কজই।অভিযোগ, সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করে কাটমানির বিনিময়ে অন্যদের সুযোগ পাইয়ে দিয়েছিল পঙ্কজ। এখন ওই নেতাকে সেসবেরই ফল ভুগতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সহ-সভাপতি।
জানা গিয়েছে, ধৃত তৃণমূল নেতা পঙ্কজ বর ২০২১ সালে বিজেপি কর্মী ছিলেন। ২০২২-এ তৃণমূলে যোগ দেন। তারপর থেকেই ওই নেতার অত্যাচারে এলাকার মানুষ ছিলেন সন্ত্রস্ত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ জুন পঙ্কজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, ভোটারদের ভয় দেখানো, ভাঙচুর, লুটপাট, তোলাবাজি, কাটমানি নেওয়া-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া খুন, খুনের চেষ্টা, আগ্নেয়াস্ত্র রাখা-সহ পাঁচটি মামলা চলছে। ১০ জুন তাঁকে আদালতে তোলা হলে আদালতের নির্দেশে তিনদিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিন আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে রাখার ঘটনায় উস্তি থানার পুলিশ তাকে লুঙ্গি পরে হাঁটিয়ে নিয়ে এলাকায় যায় ও ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে বলে জানা গিয়েছে।
শেয়ার
লিংক



