Who else will become minister from Medinipur, 4 BJP MLAs in fray

রাজ্য রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মন্ত্রিসভার আসন্ন সম্প্রসারণ। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে শপথগ্রহণ করেছেন পাঁচ মন্ত্রী। পূর্ব মেদিনীপুর থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে স্থান পেয়েছেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতা দিলীপ ঘোষ। খড়গপুর সদর থেকে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হওয়ার পর প্রথম দফাতেই তাঁর ঠাঁই হয়েছে মন্ত্রিসভায়। তবে আগামী বুধবার মন্ত্রিসভার যে সম্প্রসারণ ঘটতে চলেছে, সেখানে জেলা থেকে আর কার কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে? তা নিয়ে এখন তুঙ্গে জল্পনা।
এই বিষয়ে আরও খবর
জেলার রাজনৈতিক মহলের খবর অনুযায়ী, বর্তমানে চারজন বিধায়ককে নিয়ে সব থেকে বেশি চর্চা চলছে। তাঁরা হলেন মেদিনীপুরের শঙ্কর গুছাইত, নারায়ণগড়ের রমাপ্রসাদ গিরি, গড়বেতার প্রদীপ লোধা এবং ঘাটালের শীতল কপাট। এই চারজনই জয়ের ব্যবধান এবং যোগ্যতার নিরিখে মন্ত্রিত্বের জোরালো দাবিদার। মেদিনীপুর সদর কেন্দ্রের বিধায়ক শঙ্কর গুছাইতের সমর্থকরা তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতাকে হাতিয়ার করে প্রচার শুরু করেছেন। জেলার জয়ী বিজেপি বিধায়কদের মধ্যে তিনি উচ্চশিক্ষিত এবং একমাত্র ডক্টরেট ডিগ্রিধারী। তার উপর আবার জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই মেদিনীপুর শহরবাসীর দাবি, তাঁকে শিক্ষা সংক্রান্ত কোনও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হোক।
জেলার রাজনৈতিক মহলের খবর অনুযায়ী, বর্তমানে চারজন বিধায়ককে নিয়ে সব থেকে বেশি চর্চা চলছে। তাঁরা হলেন মেদিনীপুরের শঙ্কর গুছাইত, নারায়ণগড়ের রমাপ্রসাদ গিরি, গড়বেতার প্রদীপ লোধা এবং ঘাটালের শীতল কপাট। এই চারজনই জয়ের ব্যবধান এবং যোগ্যতার নিরিখে মন্ত্রিত্বের জোরালো দাবিদার।
অন্যদিকে, ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’ বাস্তবায়নের বিষয়টি জেলার মানুষের কাছে দীর্ঘদিনের আবেগ। এই প্রেক্ষাপটে ঘাটালের দু’বারের বিধায়ক শীতল কপাটের অনুগামীরা সরব হয়েছেন। তাঁদের দাবি, মাস্টার প্ল্যান সফল করতে এলাকার ভূমিপুত্র শীতলবাবুকে মন্ত্রিসভায় রাখা প্রয়োজন। আবার নারায়ণগড়ের বিধায়ক রমাপ্রসাদ গিরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও অনুগামী হিসাবে পরিচিত। ফলে তাঁর নামটিও তালিকার প্রথম সারিতেই রয়েছে। তালিকায় পিছিয়ে নেই গড়বেতার প্রদীপ লোধাও। বর্ষীয়ান এই নেতা এবার বড় ব্যবধানে গড়বেতা পুনরুদ্ধার করেছেন। বিশেষ করে আলুচাষ অধ্যুষিত এই এলাকায় চাষিদের নানাবিধ সমস্যা, হিমঘর ও বিপণন সংক্রান্ত সংকট নিরসনে প্রদীপ লোধাকে কৃষিমন্ত্রী বা কৃষি বিপণন দপ্তরের দায়িত্বে দেখার দাবি উঠছে।
এই বিষয়ে আরও খবর
শেয়ার
লিংক



