0%

গ্যাসে কষ্ট? রসুনের আচারেই মিলতে পারে আরাম!

পেটটা কি মাঝেমধ্যেই ফুলে থাকে? খাওয়ার পর অস্বস্তি, ঢেকুর, অম্বল—এই সমস্যায় অনেকেই নাজেহাল। ওষুধ খেয়ে সাময়িক স্বস্তি মিললেও ঝামেলা আবার ফিরে আসে। অথচ সমাধানটা হয়ত আপনার রান্নাঘরেই আছে। গরম ভাতে সামান্য ঘি আর একচামচ রসুনের আচার—এই সহজ সংযোজনেই আপনার হজমের সমস্যার সমাধান হতে পারে।

আচার শুধু রুচি বাড়ায় না, অনেক সময় শরীরেরও উপকার করে। রসুনের আচার তার মধ্যে অন্যতম। পুষ্টিবিদদের মতে, রসুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত ও মাপমতো রসুন খেলে কোলেস্টেরল কমে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

রসুনের আচারের উপকারিতা এখানেই শেষ নয়। এতে ব্যবহৃত জিরে, মেথি ও সর্ষের মতো মশলা হজমশক্তি বাড়ায়। পেটের গ্যাস, অম্বল ও হালকা পেটব্যথা কমাতেও কার্যকর হতে পারে। আয়ুর্বেদের মতে, রসুন শরীরের ‘উষ্ণতা’ বাড়িয়ে সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমায়।

কীভাবে রসুন আচার বানাবেন?

এক কাপ খোসা ছাড়ানো রসুন কোয়া নিন। সর্ষের তেল বা তিলের তেল গরম করুন। ফোড়নে দিন সর্ষে ও এক চিমটে হিং। এরপর রসুন দিয়ে অল্প আঁচে ভাজুন। হালকা রং বদলালে লাল লঙ্কা গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, মেথি গুঁড়ো, হলুদ ও নুন মিশিয়ে নাড়ুন। স্বাদের ভারসাম্যের জন্য লেবুর রস বা তেঁতুলের রস এবং সামান্য গুড় যোগ করুন। প্রায় ১০ মিনিট রান্নার পর তেল আলাদা হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। শুকনো কাচের বয়ামে ভরে রাখলেই তৈরি।

সংরক্ষণে সতর্কতা
আচার সবসময় শুকনো ও পরিষ্কার বোতলে রাখুন। ভেজা চামচ ব্যবহার করবেন না। সঠিকভাবে রাখলে কয়েক সপ্তাহ ভালো থাকবে। তবে মনে রাখবেন, অতিরিক্ত তেল ও নুন থাকায় আচারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি। দিনে এক-দু’চামচই যথেষ্ট। বেশি খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তবে সঠিকভাবে খেলে এটি হতে পারে গ্যাস ও হজমের সমস্যায় সহজ ঘরোয়া ভরসা।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker