0%

বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন দোকানের মতো খাস্তা ‘হিংয়ের কচুরি’

বাইরের অস্বাস্থ্যকর তেল এড়িয়ে বাড়িতেই যদি দোকানের স্বাদ পাওয়া যায়, তবে মন্দ কী? হিংয়ের কচুরির আসল ম্যাজিক লুকিয়ে থাকে তার পুরের সুগন্ধ এবং খাস্তা ভাবে। কীভাবে বানাবেন?

যা যা লাগবে-

ময়দা: ২ কাপ

বিউলির ডাল (খোসা ছাড়া): ১/২ কাপ (৪-৫ ঘণ্টা ভেজানো)

হিং: ১ চা চামচ (ভালো মানের হিং স্বাদে বড় ফারাক গড়ে দেয়)

মৌরি: ১ চা চামচ (আধভাঙা করা)

আদা ও কাঁচালঙ্কা বাটা: ১ টেবিল চামচ

কালো জিরে ও জোয়ান: সামান্য (ময়ানের জন্য)

সাদা তেল: ভাজার জন্য এবং ময়ানের জন্য

নুন ও চিনি: স্বাদমতো

তৈরি করুন এভাবে-

ভেজানো বিউলির ডাল জল ছেঁকে নিয়ে কাঁচালঙ্কার সঙ্গে মিহি করে বেটে নিন। এবার কড়াইতে অল্প তেল দিয়ে তাতে মৌরি এবং প্রচুর পরিমাণে হিং ফোড়ন দিন। আদা বাটা দিয়ে ডাল বাটাটা ঢেলে দিন। নুন, সামান্য চিনি দিয়ে মাঝারি আঁচে অনবরত নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না ডালটা শুকনো হয়ে কড়াই থেকে ছেড়ে আসছে। পুর তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। ময়দার মধ্যে নুন, চিনি, কালো জিরে, জোয়ান এবং ৩-৪ টেবিল চামচ সাদা তেল দিয়ে ভালো করে ‘ময়ান’ দিন। ময়দা মুঠো করলে যদি দলা পাকিয়ে যায়, বুঝবেন ময়ান ঠিক হয়েছে। এবার অল্প অল্প ইষদুষ্ণ জল দিয়ে লুচির চেয়ে সামান্য শক্ত করে ময়দা মেখে ৩০ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন।

মেখে রাখা ময়দা থেকে লেচি কেটে নিন। লেচির মাঝখানে আঙুলের সাহায্যে গর্ত করে পরিমাণমতো ডালের পুর ভরে মুখটা ভালো করে বন্ধ করে দিন। এবার অল্প তেল দিয়ে হালকা হাতে কচুরিগুলো বেলে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন পুর বেরিয়ে না যায়। কড়াইতে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। তেল মাঝারি গরম হলে কচুরি ছেড়ে দিন। হালকা আঁচে উল্টেপাল্টে ভাজুন যতক্ষণ না কচুরিগুলো লুচির মতো ফুলে উঠছে এবং লালচে আভা ধরছে।

কচুরির ডাল বাটার সময় খুব বেশি জল দেবেন না, তাতে পুর নরম হয়ে যাবে এবং কচুরি খাস্তা হবে না। ময়দা মাখার সময় অল্প জোয়ান দিলে হজমে সুবিধা হয় এবং স্বাদও বাড়ে। গরম গরম এই হিংয়ের কচুরি কষা আলুর দম বা ছোলার ডালের সঙ্গে পরিবেশন করুন। বাড়ির ছোট থেকে বড়— প্রশংসা করবেই!

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker