SIR প্রক্রিয়ায় বড় বদল, ৫ দিনের মধ্যেই শেষ করতে হবে নথি যাচাই, নির্দেশ কমিশনের

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলায় SIR (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও নিয়ন্ত্রিত করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটারদের জমা দেওয়া নথি কীভাবে যাচাই হবে, কে কোন দায়িত্বে থাকবেন এবং কত দিনের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে, সবকিছুরই স্পষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিল কমিশন।
নথি যাচাই নিয়ে কী জানাল কমিশন(Election Commission)?
বাংলায় SIR প্রক্রিয়ায় নথি যাচাই নিয়ে কড়া ডেডলাইন বেঁধে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, ভোটারদের জমা দেওয়া নথি প্রথমে BLO অ্যাপে আপলোড করবেন সংশ্লিষ্ট বুথ লেভেল অফিসাররা (BLO)। এরপর সেই নথি জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (DEO) বা জেলা শাসক সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছে পাঠাবেন যাচাইয়ের জন্য। কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নথি আপলোডের পর সর্বোচ্চ ৫ দিনের মধ্যেই যাচাইয়ের কাজ শেষ করতে হবে।
নথি যদি একই জেলার মধ্যে পড়ে, তাহলে সেই জেলার প্রশাসনই যাচাই করবে। তবে যদি দেখা যায়, কোনও নথি অন্য জেলার সঙ্গে যুক্ত, তাহলে সেই জেলার DEO-এর কাছে নথি পাঠানো হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার কোনও নথির যোগ যদি পূর্ব মেদিনীপুরের সঙ্গে থাকে, তাহলে সেটি যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার DEO-এর কাছে। আর যদি নথি অন্য কোনও রাজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেই নথি পাঠানো হবে সেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-এর কাছে। সেখানেই হবে চূড়ান্ত যাচাই।
এই পুরো প্রক্রিয়ায় সময় নষ্ট করতে নারাজ নির্বাচন কমিশন(Election Commission)। তাই শুরু থেকে শেষ, সব মিলিয়ে ৫ দিনের মধ্যেই নথি যাচাই শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল সিইও দপ্তরে গিয়ে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরে।

আরও পড়ুনঃ সিঙ্গুরে বড় শিল্প লগ্নি! ৫০০ কোটি বিনিয়োগে সিলমোহর নবান্নের
ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, ভোটার তালিকায় নাম বা বয়স সংক্রান্ত অসঙ্গতি ধরা পড়তেই নতুন করে এই সংশোধন ও যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই BLO-রা নতুন করে নথি আপলোড করবেন এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা সেগুলি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাবেন। এরপর শুরু হবে খুঁটিয়ে পরীক্ষা। এখন নজর থাকবে, নির্ধারিত ৫ দিনের মধ্যে এই নথি যাচাই প্রক্রিয়া কতটা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, নাকি আবার নতুন কোনও নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।



