0%

Bhatpara Municipality Vice Chairman’s explosive statement against Ex tmc MLA Somnath Shyam

ভোটের ফল প্রকাশের পরই সামনে আসতে শুরু করেছে তৃণমূলের অন্দরকলহ। এবার ভাটপাড়া পুরসভার অন্দরেও ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দেবজ্যোতি ঘোষের। সরাসরি নাম করে তাঁর দাবি, “নির্বাচিত বোর্ড থাকলেও গত চার বছর ভাটপাড়া পুরসভা কার্যত চালাতেন জগদ্দলের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম।” ভাইস চেয়ারম্যান থেকে চেয়ারম্যান-ইন-কাউন্সিল, কারও হাতেই কার্যত কোনও ক্ষমতা ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। কার্যত সোমনাথকেই নিশানা করে দেবজ্যোতির মন্তব্য, “আমি ভাইস চেয়ারম্যান হয়েও কোনও কাজ করার সুযোগ পাইনি। পুরসভার ভিতরেই বিধায়কের চেম্বার ছিল। সেখান থেকেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হত। আমরা তৃণমূলে থেকেও গত চার বছর বিরোধী দলের মতো ছিলাম।”

এই বিষয়ে আরও খবর

শুধু ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অভিযোগ নয়, ভোটে ভরাডুবির জন্য কার্যত সোমনাথের ঘাড়েই দায় চাপিয়েছেন তিনি। দেবজ্যোতির দাবি, “রাস্তার বেহাল দশা, নাগরিক পরিষেবার ঘাটতি ও আবাস যোজনার কাজে অনিয়ম—সব মিলিয়ে মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছিল। অনেক টাকা এসেছিল, কিন্তু কাজ হয়নি। মানুষ বিরক্ত ছিল।” একইসঙ্গে তাঁর দাবি, এসব বিষয় দলীয় নেতৃত্বকে বারবার জানানো হয়েছিল। বিস্ফোরক অভিযোগের মাঝেও ভবিষ্যতের সমীকরণ খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন দেবজ্যোতি। তাঁর বক্তব্য, “পুরসভাকে ভালোভাবে চালাতে গেলে সব পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক হবে। বিধায়কদেরও এলাকার প্রতিনিধি হিসেবে সহযোগিতা নিয়ে এগোতে চাই।” যদিও এ নিয়ে তৃণমূলের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এনিয়ে রাজনৈতিক মহলের মত, পালাবদলের পর এই মন্তব্য নিছক আত্মসমালোচনা নয় বরং তৃণমূলের ভিতরে জমে থাকা ক্ষোভেরই প্রকাশ। বিশেষ করে জগদ্দলে প্রায় ২১ হাজার ভোটে সোমনাথ শ্যামের পরাজয়ের পর সেই অসন্তোষ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সেখানে নতুন বিধায়ক হয়েছেন রাজেশ কুমার। অন্যদিকে ভাটপাড়ায় টানা তৃতীয়বার জয়ী হয়েছেন অর্জুনপুত্র পবন সিং। প্রসঙ্গত, ভাটপাড়া পুরসভার ১ থেকে ১৭ নম্বর ওয়ার্ড ভাটপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত এবং ১৮ থেকে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড জগদ্দল বিধানসভার আওতায়।

এই বিষয়ে আরও খবর

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker