বালোচিস্তানের কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, অন্তত ৩৪ পাকিস্তানি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

কয়লা খনিতে কাজ চলাকালীন ভয়াবহ দুর্ঘটনা বালোচিস্তানে। ব্যাপক বিস্ফোরণের জেরে মৃত্যু হল অন্তত ৩৪ জনের। পাশাপাশি খনির মধ্যে আরও অনেকে চাপা পড়ে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনুমান করা হচ্ছে, খনির মধ্যে মিথেন গ্যাসের জেরে ভয়ংকর এই দুর্ঘটনা ঘটে। জোরকদমে শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ।
গত বৃহস্পতিবার এই দুর্ঘটনা ঘটে বালোচিস্তানের কোয়েটা অঞ্চলে। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানা যাচ্ছে, দুর্ঘটনার পর দ্রুত গতিতে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। প্রথমে ৭ জন শ্রমিকের দেহ উদ্ধার করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। পরে আরও ২৫ জনের দেহ পাওয়া যায়। দাবি করা হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত মোট ৩৪ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে দুর্ঘটনাস্থল থেকে। এখনও ১০ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন বলে অনুমান। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এখনও ১০ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন বলে অনুমান। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বালোচিস্তানের খনি ও খনিজ মন্ত্রী শোয়েব নোশেরওয়ানি বলেন, খনির মধ্যে মিথেন গ্যাসে বিস্ফোরণের জেরে ভয়ংকর এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বহু শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আটকে পড়েছেন আরও অনেকে। উদ্ধারকারীরা অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৫ লক্ষ পাকিস্তানি রুপি (১৮০০ মার্কিন ডলার) করে আর্থিক সাহায্য দেবে। পাশাপাশি তিনি জানান, কেন এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল, কোথায় নিরাপত্তার খামতি ছিল তার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হবে।
অবশ্য পাকিস্তান তথা বালোচিস্তানের কয়লা খনিতে দুর্ঘটনার ঘটনা এই প্রথমবার নয়। অতীতেও এমন একাধিক বড় দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এখানে এমন বহু খনি রয়েছে যেগুলি পর্যাপ্ত বায়ুচলাচল ব্যবস্থা, গ্যাস পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা বা অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই পরিচালিত হয়। এর জন্য খনি মালিকদের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগের আঙুল তুলেছেন কর্মীরা। যদিও তাতে বিশেষ সুরাহা মেলেনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
শেয়ার
লিংক



