Accused gateman blames station master for train accident in Murshidabad

গতকাল মুর্শিদাবাদের গোবিন্দপুরে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। একটি পুলকারে প্যাসেঞ্জার ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ যায় ৪ শিশু ৫ জনের। দুর্ঘটনার নেপথ্যে গেটম্যানের বিরুদ্ধেই ওঠে অভিযোগ। ভুল করে রেলগেট তুলে দিতেই চরম দুর্ঘটনা। তীব্র গতিতে আসা ট্রেনের সামনে পড়ে যায় পড়ুয়া বোঝাই পুলকারটি। মুহুর্তে দুমড়ে-মুচড়ে যায় পুলকারটি। মৃত্য হয় ৪ খুদের। ঘটনাস্থলেই মারা যান এক সাইকেল আরোহীও।
দুর্ঘটনার পরেও মদ্যপ গেটম্যানের উপর চড়াও হয় উত্তেজিত জনতা। চলে গনধোলাই। বর্তমানে বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি তিনি। দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার হন গেটম্যান অনুপ কর্মকার। তাঁকে সাসপেন্ডও করে রেল। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে গেটম্যান দায় ঠেললেন কর্ণসুবর্ণের স্টেশন মাস্টারের উপর! তাঁর দাবি, এক্সপ্রেস ট্রেন বেরনোর পর যে আরও একটি প্যাসেঞ্জার ট্রেন আসছে, তাঁকে সেই খবরই দেননি স্টেশন মাস্টার।
ধৃত গেটম্যানের বলেন, “প্রতিদিনের মতো আপ লাইন ও ডাউন লাইনের ট্রেনের নম্বর আমার কাছে ছিল। রোজই আপ লাইনের ট্রেন স্টেশন থেকে ছাড়ার সময় কর্ণসুবর্ণের স্টেশন মাস্টার আমাকে ফোন করে সেই খবর দিতেন। সময়মতো যাতে রেলগেট বন্ধ করা যায় সেই কারণেই। গতকালও আপ লাইনের ট্রেন স্টেশন ছাড়ার সময় আমাকে স্টেশন মাস্টার বলে দিয়েছিলেন। কিন্তু ডাউন লাইনে ট্রেন ছাড়ার সময়, তিনি খবর দেননি। ডাউন লাইনের সিগন্যালও তখন লাল ছিল। আপ লাইনের ট্রেন চলে যাওয়ার পর ভাবলাম, ডাউন লাইনে ট্রেন হয়তো স্টেশন থেকে ছাড়েনি। হাতে ৫- ১০ মিনিট আছে ভেবে গেট খুলে দিয়েছিলাম। ট্রেনটি কোনও হর্ন দেয়নি। কেবিন থেকেও ডাউন লাইনের ট্রেন আসছে কি না দেখা যায় না। গেটটা তুলতেই গাড়িটা ঢুকে পড়ে আর তখনই ট্রেনটা চলে আসায় দুর্ঘটনা ঘটে।” শুক্রবারের দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছিলেন, মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন ওই গেটম্যান। নেশাতুর থাকার কারণেই ট্রেন যাওয়ার আগেই গেট তুলে দেন তিনি। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও প্রমাণ মেলেনি বলেই জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শেয়ার
লিংক



