0%

NCPI কি বাংলাদেশের দল? বিস্ফোরক দাবি অধীরের

বাংলা হান্ট ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণে সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে উঠে এসেছে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিদ্রোহী সাংসদের এই দলে যোগদানের পর থেকেই সংগঠনটিকে ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। সেই আবহেই এনসিপিআইকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরি (Adhir Chowdhury)।

NPCI দল নিয়ে কী বললেন অধীররঞ্জন (Adhir Chowdhury)?

শুধু সমালোচনাই নয়, ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই) দলটির উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলে বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন অধীর রঞ্জন। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন,”আজ আমি দেখছি পার্টিও অনুপ্রবেশকারী। এই যে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি। এই পার্টির জন্ম হয়েছে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যখন আন্দোলন হয়, তখন এই ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির জন্ম হয়।”

কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, এই রাজনৈতিক সংগঠন এখন দেশের সীমানা পেরিয়ে জাতীয় রাজনীতিতেও নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, “অনুপ্রবেশ করে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি দিল্লি পৌঁছে গিয়েছে। বিজেপির সঙ্গ দিচ্ছে। তৃণমূলের নাম বদলের চেষ্টা করছে। তাই অমিত শাহকে নজর দিতে হবে যে শুধু মানুষ নয়, পার্টিও অনুপ্রবেশ করছে ভারতে।” এরপর এনসিপিআই-র নাম নিয়েও কটাক্ষ করতে শোনা যায় বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদকে। তিনি বলেন, “আমি একটা পরামর্শ দিতে চাই। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির বদলে এর নাম রাখা যায় ন্যাশনাল চিটিজেন পার্টি। এটাই ঠিক হবে।” অধীররঞ্জনের এই মন্তব্য সামনে আসতেই নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে চলে এসেছে এনসিপিআই।

প্রসঙ্গত, ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই ভারতের একটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল। চলতি মাসে তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের যোগদানের পর দলটি হঠাৎ করেই জাতীয় স্তরে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। এরপর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে দলটির ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংগঠনটির পথচলা শুরু হয় ২০২০ সালে। পরে ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি ভারতের নির্বাচন কমিশনের নথিভুক্ত রাজনৈতিক দলের স্বীকৃতি লাভ করে। নির্বাচনী ময়দানে প্রথমবার তারা নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয় ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে।

Is NCPI a party of Bangladesh? Adhir Chowdhury's explosive comment

আরও পড়ুন : ‘দিদি’র হাত ছাড়লেও সম্পর্ক অটুট থাকবে! মমতাকে নিয়ে আর কী বললেন রচনা?

সাম্প্রতিক সময়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শর্মিলা সরকার এবং জুন মালিয়ার মতো পরিচিত রাজনৈতিক মুখদের যোগদানের ফলে পশ্চিমবঙ্গেও এনসিপিআই-এর সাংগঠনিক বিস্তার নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। রাজ্যের রাজনীতিতে বিকল্প শক্তি হিসেবে দলটি কতটা জায়গা করে নিতে পারে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker