0%

People put TMC leaders’ name into chopping block at Ghatal, sparks panic

রাতের অন্ধকারে মাটিতে কে বা কারা পুঁতে দিয়েছিল তিনটি হাড়িকাঠ। তাতে ঝোলানো হয়েছে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নামের একটি তালিকাও। অর্থাৎ তাঁদেরই হাঁড়িকাঠে ঝোলানোর কড়া বার্তা দিতে চাওয়া হয়েছে, তা আর বুঝতে বাকি নেই। ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের মনোহরপুর বাজার সংলগ্ন এলাকার। মঙ্গলবার রাতে সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শুরু হয়েছে উত্তেজনা ও রাজনৈতিক চাপানউতোর।

অভিযোগ, হাঁড়িকাঠের সঙ্গে ঝোলানো কাগজে লেখা রয়েছে, ‘২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর নেপাল মানিক নামে এক ব্যক্তিকে কেন ঘরছাড়া হতে হয়েছিল এবং কেন তাঁর নামে পুলিশি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, তার জবাব দিতে হবে।’ পাশাপাশি সেখানে ১২ জন তৃণমূল নেতা-কর্মীর নামও উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগ, হাঁড়িকাঠের সঙ্গে ঝোলানো কাগজে লেখা রয়েছে, ‘২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর নেপাল মানিক নামে এক ব্যক্তিকে কেন ঘরছাড়া হতে হয়েছিল এবং কেন তাঁর নামে পুলিশি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, তার জবাব দিতে হবে।’ পাশাপাশি সেখানে ১২ জন তৃণমূল নেতা-কর্মীর নামও উল্লেখ করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ ও ‘ভয়ের রাজনীতির’ অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস। চন্দ্রকোনা বিধানসভা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজিত প্রার্থী তথা ব্লক তৃণমূল সভাপতি সূর্যকান্ত দোলুই অভিযোগ করেছেন, বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। তাঁর দাবি, চন্দ্রকোনার বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

মনোহরপুর বাজারে হাঁড়িকাঠ পুঁতে নেতা-কর্মীদের নাম ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে তিনি ‘পরিকল্পিত রাজনৈতিক হুমকি’ বলেই ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘হাঁড়িকাঠে তৃণমূল নেতাদের নাম ঝুলিয়ে দেওয়ার অর্থ হল, আমাদের কর্মী-সমর্থকদের বলি দিতে চাওয়া হচ্ছে। এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা চলছে। এভাবে প্রতিহিংসার রাজনীতি করে গণতন্ত্রকে ভয় দেখানো যায় না।” তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান।

অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। এলাকার বিজেপি নেতা তথা মণ্ডল বিজেপির সভাপতি সবুজ মজুমদার বলেন, ‘‘ঘটনার কথা আমরাও শুনেছি। তবে এর সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। এলাকার কিছু মানুষের তৃণমূলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভ থেকেই কেউ এই ধরনের কাজ করে থাকতে পারে।” যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই দ্রুত হাঁড়িকাঠগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। ফলে ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে মনোহরপুর বাজার ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পরিস্থিতি যাতে আর অশান্ত না হয়, সেদিকে নজর রাখুক প্রশাসন।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker