আজই হবে বড় কিছু? সব ‘খেলা’ ঘুরিয়ে দিতে পারেন মমতার আস্থাভাজন ফিরহাদ

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) অন্যতম পুরনো সৈনিক ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও অত্যন্ত আস্থাভাজন। তবে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর সব সমীকরণ যেন ওলটপালট হয়ে গিয়েছে। জোর জল্পনা, দলে মমতা-শিবিরকে আরও দুর্বল করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারেন ববি।
দুপুরে বিধানসভায় আসার কথা আছে ফিরহাদের | (Firhad Hakim)
বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূল কার্যত দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর অনুগামীরা, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহারা। এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি বিধানসভায় ঋতব্রতর ঘরে ফিরহাদকে দেখা যায়। এরপর থেকেই তাঁর বিদ্রোহী শিবিরে যোগদানের জল্পনা তীব্র হতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুনঃ অতীত পিছনে ফেলে অর্পিতার জীবনের ‘নতুন অধ্যায়’! ৪ বছর পর বড় ঘোষণা
ইতিমধ্যেই ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন ‘নতুন তৃণমূলে’ বিধায়কের সংখ্যা ৬০ হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, এবার সেই সংখ্যা বেড়ে ৬৫ হতে চলেছে। দলের একাংশের দাবি, এই পর্বে ববির ভূমিকা আছে। ওই সূত্রের দাবি, সেখানে চমকও থাকতে পারে। বৃহস্পতিবার এর সাক্ষী থাকতে পারে রাজ্য বিধানসভা।
সূত্র মারফৎ আরও জানা যাচ্ছে, ৬০ জনের পর আর যে নতুন বিধায়করা বিরোধী শিবিরকে সমর্থন করবেন, তাঁরা আলাদা করে বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোসকে চিঠি দিতে পারেন। এদিকে আজ দুপুরেই বিধানসভায় আসার কথা আছে ববির। ফলে এদিন কী হয় সেদিকে নজর রয়েছে সকলের।

অন্যদিকে এদিনই আবার ‘নতুন তৃণমূলে’ যোগ দেওয়া নিয়ে সাংবাদিকরা ফিরহাদকে বেশ কিছু প্রশ্ন করেন। জবাবে এই বিষয়ে কিছু জিজ্ঞেস না করার অনুরোধ করেন তিনি। ববি বারবার বলেন, “দয়া করে আমায় এই বিষয়ে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না। আমি কিছু বলতে চাই না”। একাধিকবার প্রশ্ন করা হলেও তাঁর উত্তর বদলায়নি। মুখে কিছু না বললেও, শেষ অবধি ফিরহাদ সত্যি সত্যিই ‘খেলা’ ঘুরিয়ে দেন কিনা সেটাই দেখার।




