0%

‘কার্গিলে নিহত নিজেদের সেনার দেহ ফেরত নেয়নি পাকিস্তান’, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ফের বিঁধল ভারত

ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিল ভারত। রাষ্ট্রসংঘের (United Nation) একটি আলোচনা চক্রে পাকিস্তানে সরকারি মদতে জঙ্গিবাদ, প্রতিবেশী রাষ্ট্রে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের মতো একাধিক বিষয়ে তুলে ধরেন ভারতের প্রতিনিধি ভাবিকা মঙ্গালানন্দন। জম্মু ও কাশ্মীরের মতো ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইসলামাবাদের মন্তব্য করার কোনও এক্তিয়ার নেই বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি।

রাষ্ট্রসংঘের আলোচন চক্রের বিষয় ছিল ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা ও বিশ্বাস’। এই বিষয়েই ভারতের তরফে বক্তব্য রাখেন ভাবিকা মঙ্গালানন্দন। তিনি বলেন, ‘ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা’র সঙ্গে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অধিকারের সম্পর্কও রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পাক প্রতিনিধিকে অস্বস্তিতে ফেলে অকাট্য প্রমাণ ও তথ্য তুলে ধরেন তিনি। জানান, ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় নিহত নিজেদের সেনাদের মরদেহ ফেরত নিতে চায়নি ইসলামাবাদ।

ভাবিকা বলেন, “অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা যে, একটি রাষ্ট্র ১৯৯৯ সালে কার্গিলে যুদ্ধে নিহত নিজেদের সেনাদের মরদেহ ফেরত নিতে অস্বীকার করেছিল। তারাই আজ কোনও সংকোচ না করে অত্যন্ত জোরালোভাবে ধর্ম, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মৃতদেহ সমাধিস্ত করার বিষয়ে কথা বলছে! তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, ভারতীয় বাহিনী বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেনাকে সামরিক মর্যাদায় এবং ইসলামি রীতি মেনে সমাধিস্ত করেছিল।”

এইসঙ্গে জম্ম-কাশ্মীর নিয়ে ভারতীয় প্রতিনিধির কটাক্ষ, “ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরে যা ঘটছে তা নিয়ে পাকিস্তানের যে গভীর মোহ, তা আসলে তাদের অবৈধ দখলে থাকা জম্মু ও কাশ্মীরের অংশগুলিতে, যেমন রাওয়ালকোটে, চলমান ঘটনাবলির দিকে পরিচালিত হওয়া উচিত। পাকিস্তানে সংখ্যালঘুর সংখ্যা হুড়মুড় করে কমে আসছে, তাদের অধিকার নিয়মিতভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। যে রাষ্ট্র তার নিজের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, ভারতকে জ্ঞান দেওয়ার কোনও অধিকার তাদের নেই।”

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker