‘পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে…’ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রাক্তন মিস সুইজারল্যান্ডের!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন প্রাক্তন মিস সুইজারল্যান্ড। যদিও হোয়াইট হাউস সব অভিযোগ উড়িয়ে একে ‘ডেমোক্র্যাটদের মরিয়া চক্রান্ত’ বলে তোপ দেগেছে। তবু মার্কিন রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে এই ঘটনা। এর আগে বিয়াত্রিচে কেল নামের ওই মহিলা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তাঁর শরীর খিমচে ধরার অভিযোগ তুলেছিলেন। এবার তিনি দাবি করেছেন, সেই দিনই ট্রাম্প তাঁকে ধর্ষণ করেছিলেন।
ডেমোক্র্যাটিক পার্টি একটি রিপোর্ট পেশ করেছে। ৫৩ পাতার সেই রিপোর্টে এই বিষয়ে বিস্তারিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। দাবি, ১৯৯৩ সালের নভেম্বরে ট্রাম্প এই ‘কাণ্ড’ করেছিলেন। ট্রাম্পের ‘বন্ধু’ যৌন অপরাধী এপস্টেইনের কথাও বলেছেন বিয়াত্রিচে। তাঁর দাবি, সেই সময় তাঁর বয়স ছিল ২৪। ট্রাম্পের প্লাজা হোটেলে তিনি উপস্থিত ছিলেন। সেখানই ট্রাম্প নাকি তাঁকে মার্কিন ভিসা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এও বলেন, তাঁর প্রভাবে বিয়াত্রিচে সহজেই নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগও পাবেন। এমনকী, এপস্টেইনও আলাপ করেন নিজেকে ‘ডনের প্রিয় বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করে।
বিয়াত্রিচের অভিযোগ, এরপর তাঁকে নিজের ঘরে ডেকে পাঠান ট্রাম্প। তাঁকে বলা হয় ‘ভবিষ্যতের প্রেসিডেন্ট’ দেখা করতে চেয়েছেন। তিনি ঘরে ঢুকতেই ট্রাম্প নাকি তাঁকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরেন। এরপর সেখানেই তাঁকে ধর্ষণও করেন।
ডেমোক্র্যাটদের দাবি, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অন্যান্য যেসব অভিযোগ ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে, সেগুলোর সঙ্গে বিয়াত্রিচের অভিযোগের সামঞ্জস্যও রয়েছে। হাউস জুডিশিয়ারি কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি জেমি রাস্কিন বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন, তারা প্রেসিডেন্টকে রক্ষা করার জন্য অপরাধগুলোকে ধামাচাপা দিচ্ছে। তিনি এও বলেন, পাঁচজন নারী সরাসরি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এপস্টেইনের সান্নিধ্যে বা উপস্থিতিতে ধর্ষণ কিংবা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনেছেন।
শেয়ার
লিংক



