সরকারি প্রাথমিক স্কুলে বসছে ওয়াটার পিউরিফায়ার, বিরাট উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের | Water purifier facilities are being planned for Government School in East Bardhaman

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: পড়ুয়াদের জন্য নিরাপদ পানীয় জলের (Drinking Water) ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী পূর্ব বর্ধমান (East Bardhaman) জেলা প্রশাসন। শিশুদের স্বাস্থ্যকর পানীয় জলের যোগান দিতে জেলার সরকারি প্রাথমিক স্কুলগুলিতে (Government School) ওয়াটার পিউরিফায়ার (Water purifier) কাম কুলার বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য, স্কুলে পড়তে আসা শিশুদের পরিশোধিত পানীয় জল সরবরাহ করা। সূত্র অনুযায়ী, জেলায় প্রায় তিন হাজার সরকারি প্রাথমিক স্কুল রয়েছে। প্রতিটি স্কুলকে স্বাস্থ্যকর পানীয় জলের আওতায় আনার চেষ্টা করছে সরকার।
স্কুলে পানীয় জলের পরিকাঠামোয় জোর
এই প্রকল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জেলা প্রশাসনের সরকারি টেন্ডার তালিকায় ওয়াটার কুলার কাম পিউরিফায়ার সরবরাহ ও বসানোর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সংক্রান্ত কাজের উল্লেখ করা হয়েছিল। অর্থাৎ বহুদিন আগে থেকেই বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছিল সরকার। এবার শুধু বাস্তবায়নের পালা।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিকের কাছ থেকে জানা যায়, ‘অনেক সময়ে পানীয় জল থেকে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। তা আটকানো যাবে পিউরিফায়ারের জল খেলে। স্বাস্থ্যসম্মত বলে পড়ুয়াদের জন্য এই পরিশোধিত পানীয় জল খুবই জরুরি। এ ছাড়া ঠান্ডা জলের ব্যবস্থা থাকলে গরমে জল বেশি খাবে ছাত্রছাত্রীরা। তাতে শরীরে জলের ঘাটতিও কমবে।’ এই উদ্যোগে শিশুদের অভিভাবকরাও অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন।
সস্তার নেশায় বাজারে নকল সিগারেটের রমরমা! কোচবিহারে বাজেয়াপ্ত একাধিক প্যাকেট
অন্যদিকে, রাজ্যের স্কুলগুলিতে পানীয় জলের গুণমান যাচাইয়ের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বচ্ছ ও হরিৎ বিদ্যালয় রেটিং উদ্যোগের আওতায় স্কুলগুলির পানীয় জলের নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষা এবং জলমানের শংসাপত্র দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।
“আমার মেয়ের অপরাধীদেরও..” গাইঘাটা এনকাউন্টারে প্রতিক্রিয়া অভয়ার মায়ের
পিউরিফায়ার ও কুলার বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হলে পড়ুয়ারা প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর পানীয় জল পান করতে পারবে। তবে কতগুলি স্কুলে প্রথম পর্যায়ে যন্ত্র বসবে, প্রতিটি স্কুলে যন্ত্র বসতে কতদিন সময় লাগবে এবং পরিষেবা ঠিক কবে থেকে চালু হবে সেই বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে চূড়ান্তভাবে এখনও কোনও নির্দেশ পাওয়া যায়নি।



