0%

ভিড়ভাট্টা ভুলে দুদণ্ড শান্তি চান? আপনার অপেক্ষায় হিমালয়ের এই ‘হিডেন জেম’!

Bangla Jago Desk: শহরের ভিড়ভাট্টা আর নাগরিক কোলাহল এড়িয়ে যাঁরা একেবারে নির্জন প্রকৃতির সান্নিধ্যে দুদণ্ড শান্তিতে কাটাতে চান তাঁদের জন্য আদর্শ ঠিকানা হল হিমালয়ের গোপন আস্তানা রিম্বিক। দার্জিলিং জেলায় সিঙ্গালিলা অভয়ারণ্যর কাছে অবস্থিত এই পাহাড়ি গ্রাম হল উত্তরবঙ্গর এক হিডেন জেম। দার্জিলিং টাউন থেকে ৫৬ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭ হাজার ফুট উঁচুতে নেপাল সীমান্তর কাছে অবস্থিত এই পাহাড়ি গ্রাম রিম্বিক হল ট্রেকারদের স্বর্গরাজ্য। শান্ত নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশ, ঘন পাইন বন ও ট্রেকিং রুটের প্রবেশদ্বার হিসাবে অল্প দিনের মধ্যে অফবিট পর্যটন কেন্দ্র পর্যটকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

সবুজে ছাওয়া ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম রিম্বিকের আসল সৌন্দর্য হল আদি অকৃত্রিম অকৃপণ নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড় হাতছানি দিয়ে ডাকে। গ্রামের চারপাশে রয়েছে ওক, পাইন, রডোডেনড্রনের জঙ্গল। বসন্তে যখন রডোডেনড্রন ফুল ফোটে তখন পুরো পাহাড় লাল রঙে সেজে ওঠে। এখানে সারাবছর ‘মেঘেরা গাভীর মতো চড়ে বেড়ায়’। ফটোগ্রাফি আর পাখি দেখতে ভালোবাসলে রিম্বিক আদর্শ ঠিকানা। সান্দাকফু ও ফালুট ট্রেকিং রুটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হল রিম্বিক। রিম্বিক থেকে বিবেকভঞ্জন হয়ে জঙ্গলের পথ ধরে ট্রেকিং করা যায়। অথবা রিম্বিক থেকে শুরু করে গুরদুং ও শ্রীখোলা হয়ে ট্রেকিং করা যায়। লোয়ার লেপচা গ্রাম বা সিরিখোলা পর্যন্ত হাইকিং করা যায়। সিরিখোলা নদীর ওপর ঝুলন্ত সেতু আর কলকল শব্দ করে পাহাড়ি নদীর বয়ে চলা পর্যটকদের মুগ্ধ করবে। মানসিক শান্তির খোঁজে ঘুরে আসতে পারেন রিম্বিক মনেস্ট্রি থেকে। এছাড়া পাহাড়ি গ্রামে ঘুরলে গ্রাম্য সরল সাদামাঠা জীবনযাপনের আভাস পাওয়া যায়। রিম্বিক থেকে সামান্য দূরে অবস্থিত লোধামা নদী। নদীর তীর আদর্শ পিকনিক স্পট।

কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন

বাগডোগরা বিমানবন্দর বা নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে রিম্বিক পৌঁছনো যায়। শিলিগুড়ি থেকে কার্শিয়াং হয়ে রিম্বিক পৌঁছনো যায়। মিরিক বা মানেভঞ্জন হয়েও যাওয়া যায়। মার্চ, অক্টোবর ও নভেম্বর মাস বেড়ানোর আদর্শ সময়। থাকার জন্য রয়েছে হোম স্টে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker