স্বাস্থ্য-অর্থ-শিক্ষাসহ গুরুত্বপূর্ণ দফতরে কারা? বিজেপির সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার তালিকা ঘিরে জোর জল্পনা

বাংলা হান্ট ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার দফতর বণ্টন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। দলীয় সূত্রে খবর, মন্ত্রীদের(Ministers) দায়িত্ব নির্ধারণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর সম্ভাব্য দফতর বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শীঘ্রই সেই তালিকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে।
কোন মন্ত্রী(Ministers),কোন দফতরের দায়িত্বে?
সূত্রের খবর, রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিধাননগরের বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে অর্থ দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্তের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও বড়সড় রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণকে স্কুলশিক্ষা দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়গুলি দেখভালের জন্য সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের নাম উঠে এসেছে।
শিল্পোন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের দায়িত্বে মানিকতলার বিধায়ক তাপস রায়কে দেখা যেতে পারে। পরিবহণ ব্যবস্থার হাল ধরতে পারেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং। কৃষি ক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ময়ুরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের।এছাড়া পর্যটন খাতের দায়িত্ব শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের হাতে যেতে পারে বলে সূত্রের খবর। শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম দফতরের দায়িত্বে কুলটির বিধায়ক অজয় পোদ্দারকে দেখা যেতে পারে। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে ইন্দ্রনীল খাঁ আয়ুষ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও জল্পনা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১ জুন দ্বিতীয় পর্যায়ে মোট ৩৫ জন বিজেপি বিধায়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।এর আগে ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে প্রথম দফার মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন :ত্রাণ সামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস! ছোঁড়া হল ডিম, চলল বিক্ষোভ
সেই সময় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয় দিলীপ ঘোষকে। অগ্নিমিত্রা পালকে পুর ও নগরোন্নয়ন এবং নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। খাদ্য দফতরের দায়িত্ব পান অশোক কীর্তনিয়া। ক্ষুদিরাম টুডুর হাতে তুলে দেওয়া হয় আদিবাসী উন্নয়ন ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতর। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও ক্রীড়া দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয় নিশীথ প্রামাণিককে। যদিও সম্ভাব্য দফতর বণ্টন নিয়ে নানা তথ্য সামনে আসছে, সরকারিভাবে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ও কৌতূহল অব্যাহত থাকবেই।




