0%

হাতে ফোন নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রলিং! জানেন এই অভ্যাস মহাবিপদ ডাকতে পারে?

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে আপনার প্রথম কাজ কী থাকে? ঘুম থেকে উঠেই চট করে নিয়ে নেন তো হাতের মুঠোয় মুঠোফোন? তারপর প্রয়োজনীয় মেসেজ দেখার অছিলায় ঘন্টার পর ঘন্টা স্ক্রলিং,ভুলেই যান আদতে কেন হাতে নিয়েছিলেন মোবাইল? আপনার দীর্ঘক্ষণের স্ক্রলিং ডেকে আনছে না তো ঘোর বিপদ?

এক গবেষণা বলছে স্মার্টফোন আনছে তীব্র বিষণ্ণতা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে মুলত অল্পবয়সীদের মধ্য়ে এই সমস্য়া বেশি দেখা যাচ্ছে। অল্পবয়সীরা বেশি আসক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনলাইন সংযোগ ব্যক্তিগত সংযোগের তুলনায় কম শান্তি দেয় । সোশ্য়াল মিডিয়ায় স্ক্রল করার সময় মস্তিষ্কে সাময়িক আনন্দের হরমোন ‘ডোপামিন’ নিঃসৃত হয়। কিন্তু এই আনন্দ ক্ষণস্থায়ী। দীর্ঘ সময় স্ক্রল করলে ক্লান্ত লাগে, অস্থিরতা বাড়ে এবং তার সঙ্গে বাড়ে মন খারাপের প্রবণতা।

অনলাইনে সারাদিন মশগুল থাকার দরুণ তরুণরা পরিবার আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধবদের থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ ডিপ্রেশন গ্রাস করছে তাঁদের। ঠিক কিভাবে কিশোর-কিশোরিদের ওপর প্রভাব ফেলছে সোশ্য়াল মিডিয়া? সোশ্য়াল মিডিয়ায় অন্যদের ‘পারফেক্ট লাইফ’ দেখলে অনেকেই নিজের জীবনের সঙ্গে তুলনা শুরু করেন যা ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিয়ে ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

সোশাল মিডিয়ার জৌলুস ভীষণভাবে আকৃষ্ট করছে তরুণদের। তাদের কাছে সোশ্য়াল মিডিয়াই বাস্তব। স্ক্রল করতে করতে বহু লোভনীয় জিনিসের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে তাঁরা। হারিয়ে ফেলছে ঠিক, ভুল, যাচাই করার ক্ষমতা। রাতে ফোন স্ক্রলিং নষ্ট করে ঘুম। আর কম ঘুমের জন্য় বাড়ছে মেজাজ খারাপ,মন খারাপ ও ডিপ্রেশনের ঝুঁকি। বিশেষজ্ঞদের মতে বিষয়টা একমুখী নয়। কেউ ডিপ্রেশনের কারণে বেশি স্ক্রল করছেন ,আবার কেউ অতিরিক্ত স্ক্রলিং করে পড়ছেন ডিপ্রেশনের কবলে।

কিভাবে মুক্তি পাবেন এই সমস্য়া থেকে ? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনে নির্দিষ্ট সময়ের বেশি ফোন ব্যবহার করবেন না,ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখুন,অবসর সময়ে হাঁটুন,বই পড়ুন বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান,সমস্য়া বুঝলে প্রয়োজনে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সাহায্য় নিন।

Related Articles

হাতে ফোন নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রলিং! জানেন এই অভ্যাস মহাবিপদ ডাকতে পারে?

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে আপনার প্রথম কাজ কী থাকে? ঘুম থেকে উঠেই চট করে নিয়ে নেন তো হাতের মুঠোয় মুঠোফোন? তারপর প্রয়োজনীয় মেসেজ দেখার অছিলায় ঘন্টার পর ঘন্টা স্ক্রলিং,ভুলেই যান আদতে কেন হাতে নিয়েছিলেন মোবাইল? আপনার দীর্ঘক্ষণের স্ক্রলিং ডেকে আনছে না তো ঘোর বিপদ?

এক গবেষণা বলছে স্মার্টফোন আনছে তীব্র বিষণ্ণতা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে মুলত অল্পবয়সীদের মধ্য়ে এই সমস্য়া বেশি দেখা যাচ্ছে। অল্পবয়সীরা বেশি আসক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনলাইন সংযোগ ব্যক্তিগত সংযোগের তুলনায় কম শান্তি দেয় । সোশ্য়াল মিডিয়ায় স্ক্রল করার সময় মস্তিষ্কে সাময়িক আনন্দের হরমোন ‘ডোপামিন’ নিঃসৃত হয়। কিন্তু এই আনন্দ ক্ষণস্থায়ী। দীর্ঘ সময় স্ক্রল করলে ক্লান্ত লাগে, অস্থিরতা বাড়ে এবং তার সঙ্গে বাড়ে মন খারাপের প্রবণতা।

অনলাইনে সারাদিন মশগুল থাকার দরুণ তরুণরা পরিবার আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধবদের থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ ডিপ্রেশন গ্রাস করছে তাঁদের। ঠিক কিভাবে কিশোর-কিশোরিদের ওপর প্রভাব ফেলছে সোশ্য়াল মিডিয়া? সোশ্য়াল মিডিয়ায় অন্যদের ‘পারফেক্ট লাইফ’ দেখলে অনেকেই নিজের জীবনের সঙ্গে তুলনা শুরু করেন যা ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিয়ে ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

সোশাল মিডিয়ার জৌলুস ভীষণভাবে আকৃষ্ট করছে তরুণদের। তাদের কাছে সোশ্য়াল মিডিয়াই বাস্তব। স্ক্রল করতে করতে বহু লোভনীয় জিনিসের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে তাঁরা। হারিয়ে ফেলছে ঠিক, ভুল, যাচাই করার ক্ষমতা। রাতে ফোন স্ক্রলিং নষ্ট করে ঘুম। আর কম ঘুমের জন্য় বাড়ছে মেজাজ খারাপ,মন খারাপ ও ডিপ্রেশনের ঝুঁকি। বিশেষজ্ঞদের মতে বিষয়টা একমুখী নয়। কেউ ডিপ্রেশনের কারণে বেশি স্ক্রল করছেন ,আবার কেউ অতিরিক্ত স্ক্রলিং করে পড়ছেন ডিপ্রেশনের কবলে।

কিভাবে মুক্তি পাবেন এই সমস্য়া থেকে ? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনে নির্দিষ্ট সময়ের বেশি ফোন ব্যবহার করবেন না,ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখুন,অবসর সময়ে হাঁটুন,বই পড়ুন বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান,সমস্য়া বুঝলে প্রয়োজনে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সাহায্য় নিন।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker