0%

Allegations of indecent behavior to students by a teacher, Protest in school at Shantipur

শান্তিপুর ব্যাপক অশান্তি। এক শিক্ষকের কীর্তিকলাপ জানাজাতি হতেই স্কুলে আছড়ে পড়ল জনরোষ। ক্ষিপ্ত জনতা স্টাফরুমে ঢুকে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করে। তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পরপর ডিম। স্কুল চত্বরে চলে ব্যাপক ভাঙচুর। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় শান্তিপুর থানার পুলিশ।

অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক আশীষ বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন। অভিভাবকদের দাবি, তিনি ছাত্রীদের অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করতেন, সেলফি তোলার চেষ্টা করতেন। বিষয়টি বাইরে জানালে প্রজেক্টের নম্বর কমিয়ে দেওয়ার হুমকিও দিতেন।

নদিয়ার শান্তিপুরের বড় জিয়াকুর পূর্ণচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ঘটনা। এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় স্কুল চত্বরে। বিক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসীরা ঘিরে ফেলেন স্কুল। চলে ভাঙচুর। স্টাফরুমে ঢুকে অভিযুক্ত শিক্ষককে লক্ষ্য করে পরপর ডিম ছোড়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় শান্তিপুর থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। পরে আইসির নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক আশীষ বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন। অভিভাবকদের দাবি, তিনি ছাত্রীদের অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করতেন, সেলফি তোলার চেষ্টা করতেন। বিষয়টি বাইরে জানালে প্রজেক্টের নম্বর কমিয়ে দেওয়ার হুমকিও দিতেন। অভিযোগকারী এক ছাত্রীর পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রী স্কলারশিপের ফর্ম জমা দিতে গেলে তা গ্রহণ করা হয়নি। পরে ওই ছাত্রী প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। শুক্রবার সকাল থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষককে অপসারণের দাবিতে অভিভাবকরা স্কুলে সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁদের অভিযোগ, ওই শিক্ষকের কীর্তিকলাপ আগে থেকেই জানত স্কুল কর্তৃপক্ষ। তা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিক্ষোভকারীরা। স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে শুরু হয় ভাঙচুর। আক্রান্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। তাঁকে গাড়িতে তোলার সময় বিক্ষোভকারীরা “বল হরি, হরিবোল” স্লোগানও দেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অপূর্ব বণিক বলেন, “একজন ছাত্রী লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই।” অভিযুক্ত শিক্ষক আশীষ বিশ্বাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, “ছাত্রী যে স্কলারশিপের ফর্ম জমা দিতে এসেছিল, তাতে একাধিক নথি অসম্পূর্ণ ছিল। সেই কারণেই ফর্ম গ্রহণ করা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা।” ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। সামগ্রিক ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker