0%

বাংলাদেশ-মায়ানমারের জমি ব্যবহার করে ভারতের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে চাইছে চিন! পাল্টা কী স্ট্রাটেজি নয়া দিল্লির?

চিন-বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে চিন্তায় ভারত।Image Credit: PTI

ঢাকা: ভারতের আশেপাশে বাড়ছে শত্রুদের নজর। পশ্চিম সীমান্তের পর নজর এবার পূর্ব সীমান্তেও। বাংলাদেশের (Bangladesh) মাটিতে ড্রোন ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট (Drone Manufacturing Unit) তৈরি করছে চিন (China)। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) চিন সফরের সময় এই বিষয়ে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

অপারেশন সিঁদুর থেকে শিক্ষা নিয়ে ইতিমধ্যেই নতুন বাজ ব্যাটেলিয়ন সূচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী (Indian Army)। বিশাল ড্রোন বাহিনী তৈরি করা হচ্ছে। এই ড্রোনগুলির সাহায্যে সীমান্তে নজরদারি করা হবে।  এর মধ্যেই পূর্ব সীমান্তে চিনের অতি তৎপরতার দিকে বাড়তি নজর রাখছে নয়াদিল্লি।

কী চুক্তি হয়েছে চিন-বাংলাদেশের?

সূত্রের খবর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বেজিং সফরে দুই দেশের মধ্যে একাধিক চুক্তি হয়েছে।  চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের পরিকাঠামগত উন্নয়নে এবার সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে চিন।

চিন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের ধাঁচে বাংলাদেশ এবং মায়ানমারকে নিয়ে একই রকম ইকোনমিক করিডর তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। চিনের কুনমিং থেকে মায়ানমার হয়ে বাংলাদেশের মোংলা বন্দর পর্যন্ত রোড করিডর তৈরি করা হবে। এই প্রকল্প যদি সফল হয়, তবে স্বাভাবিকভাবেই উত্তর-পূর্বের নিরাপত্তায় বাড়তি নজর দিতে হবে নয়া দিল্লিকে।

এখানেই শেষ নয়, একইসঙ্গে বাংলাদেশ এবং মায়ানমার ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে স্থলপথে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত যোগসূত্র তৈরি করতে চাইছে চিন। এছাড়াও লালমনিরহাট এয়ারবেস আধুনিকীকরণের বরাতও পাচ্ছে চিন। তিস্তা নদীর সংরক্ষণের দায়িত্বও দেওয়া হচ্ছে বেজিং-কে। ফলে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে চিনের উপরই আস্থা রাখছে বাংলাদেশ। তাদের দেশের উন্নয়ন হলেও, এতে ভারতের বিপদ বাড়বে বলেই আশঙ্কা, কারণ চিনের ট্র্যাক রেকর্ড আছে যে তারা উন্নয়নের নামে বিভিন্ন দেশের উপরে নজরদারি চালায়, তাদের আভ্যন্তরীণ ইস্যুতে নাক গলায়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তাই হয় কি না, সেটাই দেখার।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker